গর্ভপাত ঘটানো মামলার মূল আসামী কাশেম গ্রেফতার

আপলোড তারিখঃ 2018-03-15 ইং
গর্ভপাত ঘটানো মামলার মূল আসামী কাশেম গ্রেফতার ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গার তিয়রবিলা গ্রামের দিনমজুরের কন্যাকে ধর্ষণ ও আলমডাঙ্গা অফিস: আলমডাঙ্গার তিয়রবিলা গ্রামের দিন মজুরের কন্যাকে দিনমজুরের বন্ধু কর্তৃক ধর্ষণ ও গর্ভপাতের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামী আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল সকালের দিকে তাকে ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে, আলমডাঙ্গার তিয়রবিলা গ্রামের ইব্রাহিম আলীর ছেলে আবুল কাশেমের বাড়িতে তার বন্ধু দিনমজুর কাজ করতো। ওই দিনমজুরের ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়–য়া কন্যার দিকে কুনজর পড়ে কাশেমের। দিনমজুর তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে সুযোগ বুঝে কাশেম তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনা কাউকে না জানানোর জন্য সে হুমকি দেয়। এভাবে বেশ কিঝুদিন অতিবাহিত হলে দিনমজুরের কন্যা অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। ৭মাস অতিবাহিত হলেও কাশেমের ভয়ে তারা কাউকে কিছু জানাতে পারেনা। তার এই অপকর্ম ঢাকতে আবুল কাশেম গত বৃহস্পতিবার ওই দিমজুরের কন্যাকে ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডুর এক ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে তার গর্ভপাত ঘটায়। ধর্ষক আবুল কাশেমের বড় ভাই মনিরুজ্জামান সদ্যপ্রসুত শিশুটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। অসুস্থ প্রসুতিকে ধর্ষকরা আটক রাখে। এ ঘটনায় ওই দিনমজুর আবুল কাশেম ও তার ভাই মনিরুজ্জামানের নামে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পর আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ সোমবার স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অসুস্থ স্কুলছাত্রীর অবস্থা আশংকজনক। এদিকে মামলা দায়েরের পর থানা পুলিশ শিশুটির লাশ উদ্ধার ও আসামীদের ধরতে ব্যাপক তৎপরতা চালানোর এক পর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে লাশটি কায়েতপাড়া গ্রামে একটির বাঁশ ঝাড়ের নীচে মাটি চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ খান, মামলার বাদী এসআই একরাম ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি চাপা দেয়া লাশটি উদ্ধার করে। লাশ উদ্ধারের একদিন পর গতকাল এ ঘটনার মুল নায়ক ধর্ষক আবুল কাশেমকে হরিনাকুন্ড এলাকা থেকে গ্যেপতার করা হয়। আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, আবুল কাশেম ওই স্কুলছাত্রীকে গর্ভপাত ঘটিয়ে সদ্যপ্রসুত শিশুটি হাসপাতালের এক কোনায় ফেলে রাখলে মর্জিনা খাতুন নামের এক নার্স মানবিক দিক বিবেচনা করে শিশুটিকে সেখান থেকে এ্যাম্বুলেন্সে করে ঝিনাইদহ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়। এক পর্যায়ে শিশুটি মারা যায়। এদিকে এ সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা হলে মর্জিনা পুৃলিশকে বিষয় গুলো জানালে পুলিশ তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার করে। অফিসার ইনচার্জ আরো জানান, এর সাথে জড়িত কেউ রেহায় পাবেনা।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)