কুড়লগাছি প্রতিনিধি: দামুড়হুদার দূর্গাপুরে যৌতুকের টাকা না পেয়ে নিলুফা খাতুন (২৮) নামের এক গৃহবধুকে অমানুষিক নির্যাতন করেছে পাষন্ড স্বামী পলাশ ও তার পরিবার। তাকে মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় বাড়ি থেকে বের করে দেয় তারা। বর্তমানে নিলুফা দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় নিলুফার পিতা বাদি হয়ে দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক ৯মাস আগে কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের আবুল কাশেমের পুত্র রবিউল ইসলাম পলাশের সাথে বিয়ে হয় নিলুফার। বিয়ের পর ব্যবসা করার জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা, স্বর্ণালংকারসহ ঘরের আসবাবপত্র দেয়া হয়। এর পরও যৌতুক লোভী পলাশ তার পরিবারের লোকজন যৌতুকের জন্য নিলুফাকে মারপিট করতে থাকে। মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে পরবর্তিতে বেশ কিছু টাকা দিলেও সর্বশেষ এক লাখ টাকার জন্য গত ৭ মার্চ বেধড়ক মারপিট করে বাড়ি থেকে বের করে দেয় স্বামী ও তার পরিবার। খবর পেয়ে গৃহবধুর পিতা ও চাচারা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এদিকে গতকাল ৮ মার্চ বিকেলে স্বামী রবিউল ইসলাম পলাশ, শ্বশুড় আবুল কাশেম, পলাশের চাচা আকবর, দেবর শরিফ ও নাজমুলকে আসামী করে নিলুফার পিতা দামুড়হুদা মডেল থানায় একটি মামলা করেন। যৌতুক লোভী স্বামী পলাশ ও তার পরিবারের শ্বাশুড়ী লোকজনকে আইনের আওতায় এনে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন নিলুফা ও তার স্বজনরা।
