ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গার বড় গাংনীতে ২য় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ অপচেষ্টার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা আলমডাঙ্গার বড় গাংনীতে ২য় শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অপচেষ্টা চালানোর অভিযোগে মধ্যবয়সী একজনকে পিটিয়েছে স্কুলছাত্রীর পরিবারের লোকজন। আহত অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। তবে তদন্তের পরেই আসল ঘটনা জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে শিশুটির পরিবার এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া করছিল বলে জানা যায়।
ঘটনাসুত্রে জানা গেছে, আলমডাঙ্গার বড় গাংনীর মৃত সোনাউল্লার ছেলে তিন সন্তানের জনক ইউসুফ আলী (৫০) একই গ্রামের পুরাতন স্কুলপাড়ায় দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত পানের চাষ করে আসছে। গতকাল রবিবার দুপুর ১টার দিকে পানবরজে থাকা অবস্থায় পাশের বাড়ির ২য় শ্রেণির এক ছাত্রী পানবরজে যায়। এ সময় তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ইউসুফ আলী। স্কুলছাত্রীর পিতা বিষয়টি দেখে ইউসুফ আলীকে হাতেনাতে ধরে পিটাতে থাকে। পরে খবর পেয়ে বড় গাংনী তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ আহত ইউসুফ আলীকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেন।
এ বিষয়ে ওই স্কুলছাত্রীর পিতা বলেন, ইউসুফ আলী আমার মেয়েকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। আমি হাতেনাতে ধরে হালকায় পিটুনি দিয়েছি। এ রকম চরিত্রহীন লোকের যথাযথ শাস্তি চায়।
অভিযুক্ত ইউসুফ আলী বলেন, বিগত প্রায় ১৫ বছর ধরে আমি ওই বরজে পানচাষ করে আসছি। আমি তাকে আমার মেয়ের মত ভালোবাসি যা সকলেই যানে। আমি বরজে থাকা অবস্থায় সে আমার কাছে গিয়ে পেটের ভিতর ব্যাথা করছে বলে, তার পরনের কাপড় ঢিলা করে দিতে বলে। তখনই তার পিতা কোনকিছু না শুনে এমন মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাকে পিটাতে শুরু করে। আমি চক্রান্তের শিকার।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী জানায়, প্রায় অনেক বছর ধরে ইউসুফ আলী ওই বরজে পান চাষ করে আসছে। ওই মেয়েকে তার মেয়ের মত করেই ভালোবাসে। মেয়েটিও তার গালাগা। তার নামে এর আগে এলাকায় কোন প্রকার কোন অভিযোগ নেয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিৎ।
এদিকে গ্রামের কয়েকজন বলেন, পানবরজ নিয়ে পূর্বশত্রুতার জেরে এমন অভিযোগ এনে পিটাতেও পারে। ভালোভাবে পুলিশ তদন্ত করলেই মূল রহস্য বেরিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে বড় গাংনী তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ মাসুদুর রহমান বলেন, দুপুরে খবর পেয়ে পুলিশ আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। তবে ধর্ষণের অপচেষ্টা নাকি পূর্বশত্রুতা তা খতিয়ে দেখা হবে। এ বিষয়ে এখনো মামলা হয়নি। মামলার পক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।
