কার্পাসডাঙ্গা প্রতিনিধি: দামুড়হুদার কার্পাসডাঙ্গায় পাওনা টাকা না দেয়ায় স্বামী পরিত্যাক্তা রাবেয়া খাতুন পুটলীর নির্মাণাধীন ঘর ভাংচুর করেছে একই এলাকার বারিক উদ্দীন ও তার স্ত্রী হালিমা খাতুন। গতকাল শনিবার দুপুর ২টার দিকে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের মিশন পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ, এলাকাবাসী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সূত্রে জানা গেছে, স্বামী পরিত্যাক্তা রাবেয়া খাতুন পুটলী তার বাড়িতে পাকা বসতঘর নির্মাণ করছিল। শনিবার দুপুর ২টার দিকে মিশনপাড়ার বারিক ও তার স্ত্রী হালিমা আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এ সময় বাধা দিতে গিলে রাবেয়া ও তার ছেলেকে মারধর করে। এ সময় বাড়িতে অবস্থানরত নির্মাণ শ্রমিকরা ঘটনা উত্তপ্ত হওয়ার আগেই হালিমাকে বাধা দেয় এবং বাড়ির ভিতর আটকিয়ে রেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা না করার জন্য দু’পক্ষকে করা হুশিয়ারি দেয়। অপরদিকে জানা গেছে, রাবেয়া খাতুনের কাছে ২৫ হাজার টাকা পায় হালিমা। অনেক দিন ধরে চাওয়ার পরও হালিমাকে টাকা ফেরত দিচ্ছে না রাবেয়া। এদিকে রাবেয়া খাতুন পুটলী জানান, ২৫ হাজার টাকা দিতে কয়েকদিন সময় লাগবে জানালে ও সে আমার কথা শুনেনি। আমার বাড়ি ঘর নির্মাণ করা দেখে ঈর্ষান্তিত হয়ে আমার উপর হামলা চালিয়ে বাড়ি, ঘর, আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে। এর আগেও সে আমার উপর হামলা চালিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেছে। কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির আইসি আসাদুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে পরবর্তীতে কোন বিশৃঙ্খলা না করার জন্য উভয় পক্ষকে করা হুশিয়ারি করা হয়েছে। দেনা পাওনার বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়ার জন্য উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
