ছবির ক্যাপশন:
দু’বাংলার শিল্পীদের পদচারণায় মুখরিত অনির্বাণ থিয়েটার অঙ্গন
ওয়াসিম রয়েল: দুই বাংলার সংগীত ও নাট্য শিল্পীদের পদচারনায় অনির্বাণ থিয়েটার অঙ্গন মুখরিত ছিলো দর্শনা ডাক বাংলা অডিটিরেয়াম। দর্শনা অনির্বাণ থিয়েটারের আয়োজনে একুশে নাট্যমেল ৪র্থ দিনের অনুষ্ঠান মালায় আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শাস্ত্রীয় সংগীতের আসর এবং কলকাতার ঢাকুরিয়া নাট্যমুখের পরিবেশনায় পরিবেনায় নাটক ‘জিয়ন কন্যা’ পরিবেশিত হয়েছে। একুশে নাট্যমেলার ৪র্থ দিনও মেলায় বিকাল থেকে ব্যাপক লোক সমাগম ছিলো। মেলার মাঠ ও অডিটেরিয়াম ছিলো কানায় কানায় দর্শকে পরিপূর্ণ। সন্ধা সাড়ে ৭টায় একুশে নাট্যমেলা উৎসবে গ্রন্থাগার ও জীবন সম্পর্কে আলোচনা সভাই আলোচক হিসাবে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব সভাপতি সরদার আলামিন ও দর্শনা গনউন্নয়ন গ্রহন্থাগারের পরিচালক আবু সুফিয়ান। আলোচনার বিষয় বস্তুহিসাবে বক্তারা বলেন, একটি গ্রন্থাগারের প্রাণ হচ্ছে বই। আর এই বই পড়ে একজন মানুষ তার জীবনের মূল লক্ষ্যে পৌছুতে পারে। পৃথিবীতে আজ যারা বড় বড় অবস্থানে আছে তারা সকলেই বইকে বেশি বেশি চর্চা করেছে। এছাড়া বক্তারা বলেন, একজন জ্ঞ্যানি মানুষ হতে হলে তাকে অবস্যই বই পড়তে হবে। একজন ভালো শিক্ষক হতে হলে তাকে বই পড়তে হবে। একজন ভালো ছাত্র হতে হলে তাকে বই পড়তে হবে। একজন ভালো সংগঠক বা ভালো রাজনৈতিক নেতা হতে হলে তাকে অবস্যই বই পড়তে হবে।। ফলে বাঙ্গালী জাতির ২১ শে ফের্রুয়ারী ও মুক্তিযোদ্ধা চেতনাকে জানতে হলে তাকেও এ বই অধ্যয়ন করতে হবে। সর্বোপরি গ্রন্থাগার মানুষের জীবনের মূল লক্ষে পৌছুতে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখেন বলে মানে করেন আলোচকরা। আলোচনা শেষে কলকাতার ঢাকুরিয়া নাট্যমুখের পরিবেশনায় পরিবেনায় নাটক `জিয়ন কন্যা ` পরিবেশিত হয়। নাটক শেষে আনন্দধামের পরিবেশনায় শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। আনান্দধামের পক্ষে শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান পরিবেশনা করেন ওস্তাদ মশিউর রহমান। লাইটিং করেছেন রেজাউল হোসেন ও আবুল হোসেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাসমত কবীর।
