ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা ফেরীঘাট রোডের বেপরোয়া কুকুরের আক্রমণে আরো
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা ফেরীঘাট রোডে কুকুরের একটি সংঘবদ্ধ দল বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। দিনে-রাতে দল বেঁধে পাগলা কুকুরের বিচরণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। এসব পাগলা কুকুরের কামড়ে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন যাবত কুকুর নিধন বা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম যথাযথ ভাবে প্রতিপালিত না হওয়ায় জনসাধারণকে এখন কুকুরের হামলার শিকার হতে হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার এক পথচারীসহ অজ্ঞাত দুইজন আহত হয়। গতকাল শুক্রবারও এক শিশুর উপর হামলা করে গুরুতর আহত করে কুকুরের দলটি। আহত শিশু মাহমুদুল হাসান রাকিব (১০) মাস্টারপাড়ার মৃত হাসান পারভেজের ছেলে। বড় বাজার থেকে পায়ে হেটে মায়ের সাথে বাড়িতে ফিরছিল রাকিব। পথিমধ্যে শিশুস্বর্গের সামনে পৌছুলে একদল কুকুরের মধ্যে থেকে একটি খেঁপা কুকুর রাকিবের উপর হামলা করে পায়ের মাংস তুলে নেয়। কুকুরের কামড়ে শিশু রাকিবের পা ক্ষতবিক্ষত হওয়ায় তাকে দ্রুত সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
এদিকে কুকুরের অত্যাচারে স্কুল-কলেজ এর ছাত্র-ছাত্রী তথা অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার এখন শেষ নেই বললেই চলে। কুকুরের কামড়ের ভয়ে অনেক শিশু স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।
কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়া এবং তা নিয়ন্ত্রণে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ ও দু:খ প্রকাশ করে অভিভাবক সুমন পারভেজ বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ কুকুরের বেপরোয়া আচরণে দুর্ভোগের শিকার হলেও পৌরসভা কর্তৃপক্ষের নিরব ভূমিকা পালন করছে। এছাড়া অবিলম্বে এবিষয়ে জরুরী ভিত্তিতে কুকুর নিয়ন্ত্রণ ও রাস্তায় চলাচলের পথে কুকুরের কামড়ে আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সাথে যারা শখ করে এবং নিরাপত্তার জন্য বাড়িতে কুকুর লালন পালন করে থাকেন তাদের কুকুরের গলায় ডগবেল্ট ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
