চুয়াডাঙ্গা ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার প্রভাষক ফরহাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর
নিজস্ব প্রতিবেদক: চুয়াডাঙ্গা আলিয়া মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে দাখিল পরীক্ষার্থীদের হলে গিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে টাকা নেয়ার অভিযোগের সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ চালাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া অভিযোগকারী শিক্ষার্থীসহ সকল শিক্ষার্থীদের দিয়ে নিজের পক্ষে কথা বলতে এবং সাদা কাগজে গণস্বাক্ষর করতে বাধ্য করেছেন বলেও জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, গত ০৮ ফ্রেব্রুয়ারি দৈনিক সময়ের সমীকরণ’এ চুয়াডাঙ্গা আলিয়া (ডিগ্রি) মাদ্রাসার প্রভাষক ফরহাদ হোসেনকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগ ও অভিযুক্ত শিক্ষক ফরহাদ হোসেনের বক্তব্যসহ তা প্রকাশ হলে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাপ করে পত্রিকায় প্রতিবাদ বিবৃতি দেয়ার প্রক্রিয়া চালায়। একপর্যায়ে রাসেল নামের এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে অন্যদের মুখ থেকে নিজের পক্ষে কথা বলিয়ে তা রেকর্ড করে রাখেন।
সূত্র জানায়, ‘শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জনপ্রতি যে ১ হাজার টাকা করে নেয়া হয়েছে তা পরীক্ষায় সহযোগিতা করার জন্য নয়। ফরহাদ স্যারের কাছে যারা দৈনিক প্রাইভেট পড়ে তাদের কাছ থেকে অগ্রিম ২ মাসের বেতন নেয়া হয়েছে ১ হাজার টাকা করে। ওই রেকর্ডিংয়ে শিক্ষার্থীরা আরো স্বীকার করে সাংবাদিকদের কাছে তারা যে অভিযোগ বা তথ্য দিয়েছে তা স্যারের প্রতি ক্ষোভের বর্হিঃপ্রকাশ। কিন্তু সাংবাদিকরা তথ্য একত্রিত করে সংবাদ প্রকাশ করে। এজন্য শিক্ষার্থীদের মুখ থেকে স্বীকার করিয়ে নেয়া হয়, ‘সাংবাদিকদের কাছে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা নিছক হাস্যকর। সাংবাদিকরা যে এই তথ্যর উপর ভিত্তিকরে সংবাদ প্রকাশ করবে তা তারা ধারণাও করতে পারেনি।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক শিক্ষার্থী জানায়, সংবাদ প্রকাশের পর তাদেরকে হুমকী ধামকী দিয়ে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ছাড়া স্যারের স্বপক্ষে কথা বলতে বাধ্য করা হচ্ছে।
