সঠিক বিচার হওয়ায় আ.লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল ও মিষ্টিমুখ

আপলোড তারিখঃ 2018-02-09 ইং
সঠিক বিচার হওয়ায় আ.লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল ও মিষ্টিমুখ ছবির ক্যাপশন:
রায় ঘোষণার আগে খালেদা জিয়ার শাস্তির দাবিতে মিছিল : চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে প্রশাসনের সতর্ক অবস্থান নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা মোকাবেলায় সকাল থেকেই চুয়াডাঙ্গা জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে ছিল পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাবসহ সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কেন্দ্রীয় নির্দেশে এদিন রাজপথে ছিল ছাত্রলীগও। সকাল ১০টার দিকে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জানিফ ও যুগ্ম সম্পাদক জাকির হুসাইন জ্যাকীর নেতৃত্বে শহীদ হাসান চত্ত্বর হতে শুরু শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে নেতাকর্মীদের মিছিল করতে দেখা যায়। পরে শহীদ হাসান চত্ত্বর মুক্ত মঞ্চে অবস্থান কর্মসূচী পালন করে তারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাফিজুর রহমান মাফি, দপ্তর সম্পাদক সেক সামী তাপু, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ইমদাদুল হক সজল, জেলা ছাত্রলীগ নেতা নাজমুল,ফিরোজ আলম, চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল জোয়াদ্দার, আসিফ খান প্লাবন, মিশন, সবুজ, রাজন, হৃদয়, রবিন, হিরণ, তুষার, রিফাত চুয়াডাঙ্গা সদর থানা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ মানিক, রিয়াজ মোল্লা, মারুফ, কামরান, তাজ, চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজ ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ, কানন, রাকিবুল হাসান নিপ্পন, আকিব জাভেদ, নিপ্পন-২, নাহিদ, ফারহান রাব্বি, আরাফাত প্লাবন, ইসতিয়াক সিথুন, রোকন,আরফিন সজীব, এলাহী তৌফিক, আনিস, রাকিব, শাওন, সজীব-২, সানজীদ, নিশান, স্বাধীন, জাহিদ, মিরাজুল, রকিবুল, শোভনসহ চুয়াডাঙ্গা জেল ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতা ও কর্মীরা। `` বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় চত্ত্বর হতে জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাহাবুল হোসেনের নেতৃত্বে মিছিল করতে দেখা যায় নেতাকর্মীদের। শহরের বেশ কয়েকটি সড়কে মিছিল ও মোটর শোভাযাত্রা শেষে কবরীরোডস্থ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অবস্থান করে তারা। এ সময় জেলা আ’লীগের সভাপতি চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাংসদ, জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক খোজ খবর নেন এবং কোন প্রকার অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটলে তা মোকাবেলায় সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহাবুল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্যে দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক শওকত আলী বিশ্বাস, চুয়াডাঙ্গা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান কহিনুর বেগম। আরও বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি জাবিদুল ইসলাম জাবিদ, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ক্রিড়া বিষয়ক সম্পাদক ফিরোজ জোয়ার্দ্দার, সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রিমন হোসেন, সাবেক সহ-সম্পাদক বাপ্পি, সাবেক প্রচার সম্পাদক আব্দুর রহমান, সাবেক স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রাজু আহম্মেদ, সাবেক সদস্য খালিদ মাহামুদ, যুবলীগ নেতা মন্টা। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান হিমেল। এদিকে চুয়াডাঙ্গার জেলার সর্বত্র ছাত্রলীগের অবস্থান দেখা গেলেও মাঠে ছিল না বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা। অপরদিকে, রায়কে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে ছিল পুলিশ। জেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পুলিশের টহল ছিল চোখে পড়ার মতো। মোবাইল টিমসহ অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় শহর জুড়ে। সকাল থেকে শহরের বড় বাজার, শহীদ হাসান চত্ত্বর, কেদারগঞ্জস্ত্র জেলা বিএনপি’র আহ্বায়কের কার্যালয়, সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন বিএনপি’র একাংশের দলীয় কার্যালয়, সরকারি কলেজ, রেল স্টেশন, টার্মিনাল, সাহিত্য পরিষদ, প্রেসক্লাব, একাডেমি মোড়ে পুলিশের শক্ত অবস্থান দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর পর সাইরেন বাজিয়ে শহরের অভ্যন্তরে অন্তত ৫ প্লাটুন বিজিবি কড়া নজর রাখছিল; র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ানও (র‌্যাব) সার্বক্ষণিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল। শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে আইনশৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন জেলা পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমান-পিপিএম। তবে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সার্বিক পরিবেশ অন্যদিনের মতো স্বাভাবিক ছিল বলে জানায় পুলিশ। রায়কে কেন্দ্র করে কাউকে আটকের খবর পাওয়া যায়নি। `` আলমডাঙ্গা অফিস জানিয়েছে, আলমডাঙ্গায় যুবলীগের উদ্যোগে নৈরাজ্য ও নাশকতা বিরোধী মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার শেখ সামসুল আবেদীন খোকনের নির্দেশে আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সাজ্জাদুল ইসলাম স্বপন ও শাহিন রেজার নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার দুপুরে বের হওয়া মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা ওসমান গণি বিস্কুট, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি মিজানুর রহমান মিজান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম, আলমডাঙ্গা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক সেলিম রেজা তপন, রাজু আহম্মেদ, বিল্লাল মাষ্টার, আসাবুল ইসলাম ওল্টু, হাসিবুল ইসলাম, তকবুল মেম্বার, জয়নাল মেম্বার, সাঈদ মেম্বার, বায়তুল, মঈন আহম্মেদ, রবিউল ইসলাম, বাপ্পী, খলিদুর রহমান, আশাদুল হক মহাবুব বিডিআর, ইলা, রুহুল বিডিআর, লিপু, নান্না, লিটন, কামরুল ইসলাম, সনি, কুতুব উদ্দিন, শাহাবদ্দীন, সজীব,হাফিজ, নাসির উদ্দিন, সুমন মেম্বার, আনিস, সাইফুল, রশিদ, মিলন, মান্নান ভাই, নেকবার আলী, ছাত্রলীগ নেতা শাকিল, সজীব, তুমল, সাজু প্রমুখ। `` দর্শনা অফিস জানিয়েছে, সারাদেশের ন্যায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়কে কেন্দ্র করে দর্শনায় গুরুত্বপূর্ন পয়েন্টে প্রশাসন কঠোর নিরাপত্তা প্রদান করেছে। তবে বিএনপির কোন নেতা কর্মীকে মাঠে দেখা যায়নি। রায় ঘোষনার পর আ: লীগের নেতা কর্মীরা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টিমুখ করেছে। জানাগেছে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়কে কেন্দ্র করে গতকাল সকাল থেকেই কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছিলো দর্শনার গুরুত্তপূর্ন পয়েন্টগুলি। বিশেষ করে দর্শনা হল্ট ষ্টেশন, বাসস্ট্যান্ড ও আ: লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে কঠোর নিরাপত্তা দেখা গেছে। দিনব্যাপী এ কঠোর নিরাপত্তায় মাঝে মাঝে জেলা প্রশাসন ও বিজিবির টহলদেওয়া দেখা যায়। প্রশাসনের কর্মকর্তারাও দর্শনার বিভিন্ন এলাকার দেখভাল করেন সারাদিন। তবে দর্শনা হল্ট ষ্টেশনের জিআরপি পুলিশ দিনব্যাপী যাত্রি সাধারনের কঠোর নিরাপত্তা প্রদান করেছে। সারাদিন মানুষের স্বাভাবিক চলাচল দেখা গেছে। দর্শনার তদন্ত কেন্দের ওসি (তদন্ত) শোনিত কুমার গায়েন জানায়, সকাল ৬টা থেকে সন্ধা ৬টা পর্যন্ত পুলিশ, বিজিবি,ও জেলা প্রশাসন নিয়ে ৫০ জন সদস্য সারা দর্শনা পৌর এলাকা নিরাপত্তা দিয়েছে। কোন রকম সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি বলে জানায় তিনি। তবে রায় ঘোষনার পর গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৩ টার দিকে দর্শনা পৌর আ'লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে পৌর আ'লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দুর্নীতির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির রায় ঘোষণা হওয়ার পর মিছিল বের হয়ে দর্শনার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আবারোও দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা অনুষ্ঠানে দর্শনা পৌর আ'লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে আলোচনা করেন, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য হাজী আলি আজগার টগর (এমপি)। প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আ'লীগের সেক্রেটারি আজাদুল ইসলাম আজাদ। বিশেষ আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আ'লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউপি চেয়ারম্যান এসএএম জাকারিয়া আলম, দামুড়হুদা উপজেলা আ'লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, দর্শনা পৌর আ'লীগের দপ্তর সম্পাদক আলি মুনসুর বাবু, দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আঃ হান্নান ছোট, দর্শনা পৌর যুবলীগের সভাপতি আশরাফ আলম বাবু, সেক্রেটারি শেখ আসলাম আলি তোতা। এ সময় আরোও উপস্থিত ছিলেন, যুবলীগ নেতা- মোস্তাফিজুর রহমার মতি, মামুন শাহ্, দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আরিফুল ইসলাম মল্লিক, ছাত্রলীগের- দর্শনা পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম ববি, কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদ পারভেজ, সেক্রেটারি তোফাজ্জেল হোসেন তপু, সহ-সভাপতি আশরাফুজ্জামান রিপন, কামরুল হাসান লোমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসলামুল হক আলামিন, অপু সরকার, দপ্তর সম্পাদক রায়হান হোসেন প্রমুখ। `` দামুড়হুদা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগের আয়োজনে আনন্দ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে যুবলীগের বিশাল আনন্দ মিছিলটি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দামুড়হুদা উপজেলা চৌ-রাস্তা মোড়ে সংক্ষিপ্ত এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের সদস্য শফিউল কবির ইফসুফ, উপজেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী, জেলা কৃষক লীগের সদস্য কামাল পারভেজ, সদর ইউনিয়ন আ. লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম, দামুড়হুদা পাইলট গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের সভাপতি আ.লীগ নেতা ইমতিয়াজ হোসেন, দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজু আহম্মেদ রিংকু, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল হালিম ভুট্টু, সাধারণ সম্পাদক সাহেব আলী, ছোট হযরত প্রমুখ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আ.লীগ নেতা জনাব আলী, মোজাফ্ফর মেম্বার, লাভলু, বজলু, যুবলীগ নেতা মুনছুর মেম্বার, মাবুদ মেম্বার, মশিউর রহমান রানা, রকিবুল হাসান, ইকরামুল, মুসা, জাহিদ, হাবি, জাকির হোসেন, জামির, নাহিদ, আজিবার, জামাত, শাহিন, মাহাবুর, জামিরুল, সুজন, শামসুল, ডলার, রবিউল, আবু, শরিফ, টিকু, আকু, আশরাফ, ঈমান, নূরুল, মেহেদি, মিরাজ, আশাদুল ইনতাজ। বক্তারা আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে বলেন, যে এতিমের টাকা আতœসাত করে তাকে মানুষ বলা যায়না। ২০০৮ সাল থেকে চলে আসা দুর্নীতি দমন কমিশনের এই মামলার রায়ের মাধ্যমে প্রমানিত হলো খালেদা জিয়া, তারেক জিয়াসহ বিএনপি একটা লুটেরাদের দল। `` জীবননগর অফিস জানিয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার শাস্তির দাবিতে জীবননগরে আওয়ামীলীগ-যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিক্ষোপ মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।গতকাল বৃহসপ্রতিবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় জীবননগর মেইন বাসষ্ঠ্রান্ড চক্তর থেকে পৌর আ.লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার দুনীতির মামলায় দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তির দাবিতে একটি বিক্ষোপ মিছিল বের হয়ে জীবননগর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে বাসষ্ঠ্রান্ড চক্তরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় বক্তব্য রাখেন জীবননগর পৌর আ. লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু মো.আ.লতিফ অমল, জীবননগর থানা আ. লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক ও পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম,থানা যুবলীগের সভাপতি আ. সালাম ঈশা, সম্পাদক ও কেডিকে ইউপি চেয়ারম্যান খাইরুল বাশার শিপলু,পৌর যুবলীগের সভাপতি শাহ আলম শরিফুল ইসলাম ছোট বাবু,সম্পাদক মজিবার রহমান,থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও প্যানেল মেয়র সোয়েব আহম্মেদ অঞ্জন,সাধারন সম্পাদক ও কাউন্সিলার ওয়াসিম রাজা ,পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক নাজমুল আলম মানিক,পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মিঠু ,ছাত্রলীগ নেতা সেলিম রেজাপ্রমুখ।একই দিনে জীবননগর আওয়ামীলীগের অপর গ্রুপরে উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নজরুল মল্লিকের নেতৃত্বে দুপুরে নজরুল মল্লিকের নিজস্ব কার্যলয় থেকে একটি বিক্ষোপ মিছিল বের হয়ে জীবননগর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে তার কার্যলয়ের সামনে বেগম খালেদা জিয়ার শাস্তির দাবিতে জীবননগরে আওয়ামীলীগ-যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিক্ষোপ মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।এ সময় বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি চুয়াডাঙ্গা -২ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রাথী বিশিষ্ঠ শিল্পপতি নজরুল মল্লিক,জীবননগর থানা আ. লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান ,আওয়ামীলীগ নেতা জাকির বিশ্বাস, যুবলীগনেতাশামীম ফেরদৌস,চঞ্জল,মফিজুল,কামরুজ্জামান বিদ্যুৎ ,ছাত্রলীগ নেতা চঞ্জল কুমার এদিকে খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে কোন রকম যাতে নাশকতামুলক কর্মকান্ড না করতে পারে সে জন্য ভোর থেকে জীবননগর শহরের প্রধান প্রধান সড়কে পুলিশের টহল জোরদার করা হয়। `` মেহেরপুর আফিস জানিয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার রায়কে কেন্দ্র করে মেহেরপুরে ব্যাপক নিরাপত্তা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রায় ঘোষণার পূর্বে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই জেলা বিএনপি কার্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিজিবি টহল জোরদার করা হয়। দুপুরে জিয়া অরফানেজ মামলায় খালেদা জিয়ার ৫ বছরের কারাদন্ডের আদালতের রায়ের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিজিবি ও পুলিশি টহল আরো বাড়ানো হয়। অন্যান্য দিনের মতো শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিলো। জেলা বিএনপি কার্যালয়সহ শহরের অন্য কোথাও বিএনপির নেতা কর্মীদের দেখা যায়নি। এখন পর্যন্ত জেলার কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান জানান, যেকোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে ও আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। আর তাই কোথাও কোন নাশকতার ঘটনা ঘটেনি। এদিকে, জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দূর্নীতি মামলায় বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৫ বছর কারাদন্ড ও বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ বাকি ৫ জনের ১০ বছর কারাদন্ড ও অর্থদন্ড হওয়ায় মেহেরপুর শহরে আনন্দ র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকশনা উপ-কমিটির সদস্য এমএএস ইমনের নেতৃত্বে ওই আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় শহর আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বেলাল হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা ফরিদ আহম্মেদ, জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের যুগ্ম আহবায়ক আতিক স্বপন, সাবেক ছাত্রনেতা কামরুল হাসান ফিরোজ, জেলা জাতীয় শ্রমিক লীগের আহবায়ক এনামুল হক, আমদহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আতিয়ার রহমান হীরা, শাহারিয়ার আলম ববি, শ্রমিক লীগ নেতা শিমুল বিশ্বাস, বিপুল হোসেন, সেলিম রেজাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা আনন্দ র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন। গাংনী অফিস জানিয়েছে, গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের আয়োজনে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পবিার সন্ধ্যারাতে মিছিল শেষে শহিদ রেজাউল চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক। জিয়া অরফানেজ দুর্নীতি মামলার রায় এ বিএনপি’র চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ বেশ কয়েকজনের কারাদন্ড হওয়ায় গাংনী পৌর আওয়ামী লীগ এ আনন্দ মিছিলের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম বাবুর পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মহিবুল রহমান মিন্টু, জেলা পরিষদের সদস্য শাহানা ইসলাম শান্তনা, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারহানা ইয়াসমিন, কাউন্সিলর মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)