ছবির ক্যাপশন:
ডেস্ক রিপোর্ট: নাশকতার মামলায় চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা দামুড়হুদা ও জীবননগরে বিএনপি-জামায়াতের সাত নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার দিবাগত রাত থেকে গতকাল রোববার পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন- আলমডাঙ্গায় উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেনসহ বিএনপি ও জামায়াতের চার নেতাকর্মী, দামুড়হুদায় উপজেলা বিএনপির সহ-সম্পাদক ইউসুফ আলী ও নাটুদহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম এবং জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু। এদিকে, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেনকে আটকের প্রতিবাদ জানিয়েছে বিবৃতি দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল কাউনাইন টিলু, সম্পাদক শেখ সাইফুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আনিসুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান পিন্টু।
আলমডাঙ্গা অফিস জানিয়েছে, আলমডাঙ্গায় বিএনপি ও জামায়াতের চার নেতাকর্মীকে আটক করেছে থানা পুলিশ। শনিবার দিনগত গভীর রাতে এবং রোববার সন্ধ্যায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কালিদাশপুর গ্রামের মৃত খেলাফত হোসেনের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪৭), খাসকররা ইউনিয়ন জামায়াতের সহ-সভাপতি তিয়রবিলা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে খাইরুল ইসলাম (৪০) ও খাসকররা ইউনিয়ন জামায়াতের সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মৃত আ. করিমের ছেলে জামিরুল ইসলাম। এছাড়া গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আলমডাঙ্গা শহরের গোবিন্দপুর গ্রাম থেকে জামায়াত কর্মি শেখ দাউদ আলীর ছেলে মুক্তার আলীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। তাদেরকে নাশকতার মামলায় আটক করা হয়েছে বলে থানা সুত্র জানিয়েছে।
দামুড়হুদা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় উপজেলা বিএনপির সহ-সম্পাদক ইউসুফ আলী (৪৮) ও নাটুদহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম মেম্বারকে (৫৫) পুলিশ আটক করেছে। রোববার রাত ৮ টার দিকে দামুড়হুদা মডেল থানা পুলিশ এদেরকে আটক করে। ইউসুফ উপজেলার হাউলী ইউনিয়নের ডুগডুগি গ্রামেরে মৃত. আব্দুল কাদেরের ছেলে ও শামসুল মেম্বার নাটুদহ ইউনিয়নের চারুলিয়া গ্রামের মৃত. আশরাফ আলীর ছেলে। থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকরাম হোসেনের নেতৃত্বে থানা পুলিশ রোববার রাত ৮ টার দিকে হাউলী ইউনিয়নের ডুগডুগি বাজারে বিশেষ অভিযান চালায়। অভিযানে পুলিশ ওই গ্রামের মৃত. আব্দুল কাদেরের ছেলে ও দামুড়হুদায় উপজেলা বিএনপি’র সহ-সম্পাদক ইউসুফ আলীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। প্রায় একই সময় চারুলিয়া পুলিশ ক্যাম্বের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে চারুলিয়া গ্রামের মৃত. আশরাফ আলীর ছেলে নাটুদহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামসুল আলম মেম্বারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। চারুলিয়া ক্যাম্প পুলিশ রাতেই শামসুল মেম্বারকে দামুড়হুদা মডেল থানায় হস্থান্তর করেন। দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকরাম হোসেন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিএনপি নেতা ইউসুফ ও শামসুল মেম্বারের বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা রয়েছে।
জীবননগর অফিস জানিয়েছে, গতবছরের নাশকতা মামলায় জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুকে আটক করেছে থানা পুলিশ। গতকাল রবিবার জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে করা হয়। জীবননগর থানা সুত্রে জানা গেছে, গত বছরে নাশকতা মামলায় জীবননগর পৌর শহরের হাসপাতাল পাড়ার আতাহার আলীর ছেলে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুকে (৪৫) আটক করা হয়।
