লাগেজ স্ক্যানার ও ব্যাংক বুথ স্থাপনের দাবী

আপলোড তারিখঃ 2018-01-21 ইং
লাগেজ স্ক্যানার ও ব্যাংক বুথ স্থাপনের দাবী ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা জয়নগর চেকপোষ্টে ভারতগামী যাত্রী সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে ॥ সময় বাঁচাতে ও হয়রানীরোধে এম এ মামুন: চুয়াডাঙ্গার দর্শনার জয়নগর চেকপোষ্টে বহির্গামী-অন্তর্গামী ভ্রমনকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বেশকিছু অবকাঠামোগত সমস্যা থাকা সত্ত্বেও ভ্রমনকারীরা দেশের অন্যান্য চেকপোষ্টের চেয়ে জয়নগর চেকপোষ্ট দিয়ে বাংলাদেশ-ভারত গমনাগমনে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করায় ভ্রমনার্থীর সংখ্যা সম্প্রতি সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। দু’দেশের ভ্রমনকারী যাত্রীদের অভিমত, এই চেকপোষ্টে দালালদের নেই কোন দৌরাত্ম, নেই লাগেজ টানাটানি। যদিও এই পথে ভারত অংশে সড়ক যোগাযোগ নেই বললেই চলে। রেল যোগাযোগই প্রধান। তারপরও এই চেকপোষ্টে যাত্রী হয়রাণী তুলনামূলকভাবে অনেক কম। এখানে যদি লাগেজ তল্লাশী সহজীকরণে স্ক্যানার ও ভ্রমনকর প্রদানে ব্যাংক বুথ থাকতো তাহলে জয়নগর চেকপোষ্ট হতে পারতো ভ্রমনেচ্ছুকদের সবচেয়ে পছন্দের চেকপোষ্ট । তবে, সরেজমিনে ভ্রমনকারীদের সাথে আলাপে জানা যায়, চেকপোষ্টে কোন স্ক্যানার না থাকায় লাগেজ তল্লাশীতে হয়রানী ও বিড়ম্বনার শিকার হতে হয় যাত্রীদের। এছাড়া ভ্রমনকর প্রদানে এখানে কোন বুথ না থাকায় যাত্রীদের দর্শনা শহরে অবস্থিত সোনালী ব্যাংকে এসে এই কর প্রদান করতে হয়। আরো জানা যায়,জয়নগর চেকপোষ্টে কার্যক্রম শুরু হয় সকাল ৬টায় । আর দর্শনায় ব্যাংক খোলে সকাল ৯টায়। এতে করে ভ্রমনেচ্ছুদেরকে চেকপোষ্ট থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে শহরে এসে ব্যাংকে নির্ধারিত সময়ে ভ্রমনকর প্রদান করতে হয়। এছাড়াও যেসব যাত্রী তাদের জরুরী প্রয়োজনে সকাল সকাল দু’দেশের মধ্যে যাতায়াত করতে ইচ্ছুক। সকাল ৯টার পূর্বে ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় এক প্রকার বাধ্য হয়েই অন্যকোন উপায়ে ভ্রমনকর জমা দিতে হয়। এতে করে, ভ্রমনকর সরকারীখাতে জমা হলো কিনা তা নিয়েও থাকে অনিশ্চয়তা। অনুসন্ধানে জানা যায় গত অর্থবছরে এই চেকপোষ্টে বহির্গামী বাংলাদেশী যাত্রী সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩শ’ ৮৭ জন । আর অন্তর্গামী ভারতীয় যাত্রী ছিল ১১ হাজার ২শ’২৯ জন। এই অর্থবছরেই সরকার ভ্রমনকর বাবদ রাজস্ব পেয়েছে ৭ কোটি ৩৯ লাখ ৬৩ হাজার ৭৫০ টাকা। ২০১৭ -১৮ অর্থ বছরে বাকী ৬ মাসে এই সংখ্যা সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। চিকিৎসা,ভ্রমনসহ জরুরী প্রয়োজনে ভারতে গমনেচ্ছুক বাংলাদেশী যাত্রীদের জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী- সময় অপচয় ও হয়রাণীরোধে যত দ্রুত সম্ভব এই চেকপোষ্টে লাগেজ তল্লাশীতে স্ক্যানার মেশিন ও ভ্রমনকর প্রদানে ব্যাংক বুথ স্থাপন করা হোক। সচেতন মহলের অভিমত এখানে স্ক্যানার ও ব্যাংক বুথ স্থাপন করা গেলে সময় ও ভোগান্তি কমে আসবে । ফলে এই পথে যাতায়াতে যাত্রীদের আগ্রহ যেমন বাড়বে, অপরদিকে রাজস্ব আহরণ বহুগুন বৃদ্ধি পাবে ।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)