ছবির ক্যাপশন:
ডেস্ক রিপোর্ট: মাঘের এখনো প্রায় এক সপ্তাহ বাকি। এরই মধ্যে চুয়াডাঙ্গায় তীব্র শীত পড়েছে। গত এক সপ্তাহের শীতে জেলার ৪ উপজেলার প্রায় ১৫ লাখ মানুষ কাঁবু হয়ে পড়েছেন। ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে তাপমাত্রা উঠানামা করছে। ইতোমধ্যে ২ দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায়। শীতের প্রকোপ বাড়ায় বাড়ছে শীতজনিত রোগ। চাহিদা বেড়েছে গরম কাপড়ের। গত মঙ্গলবার সকাল ৯টায় চলতি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত সোমবার চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৫.৪। অবশ্য গতকাল চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও ঘন কুয়াশার কারণে ঘর থেকে বের হতে পারেনি মানুষ।
চুয়াডাঙ্গায় সপ্তাহব্যাপী তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ও হিমেল হাওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘণ্টায় ৫-৬ কিলোমিটার বেগে বইছে বাতাস। সেই সঙ্গে ঘন কুয়াশায় মানুষের দুর্ভোগের মাত্রা আরো এক ধাপ বেড়ে গেছে। পৌষ মাসের হুল ফোটানো শীতে জবুথবু মানুষের জীবনযাত্রা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। প্রচ- ঠা-ার কারণে খুব প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বাইরে বের হচ্ছেন না। সন্ধ্যার পর রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। সকাল ও সন্ধ্যায় রাস্তার ধারে অনেকেই খড়খুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। খেটে খাওয়া মানুষ কাজে যেতে পারছেন না। চাহিদা থাকায় গরম কাপড়ের দোকানে বেচাকেনা বেড়ে গেছে। বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার কমে গেছে। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া ও রোটা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হাসপাতালে বেড়ে গেছে। তবে গত মঙ্গলবার বেলা বাড়ার পর সূর্যের দেখা মিলেছে।
