ছবির ক্যাপশন:
ডেস্ক রিপোর্ট: পেঁয়াজ ছাড়া ব্যঞ্জন- ভাবাই যায় না। তাই পেঁয়াজের দাম বাড়লে গণমাধ্যমে হৈচৈ পড়ে যায়। গত বছরের মাঝামাঝি থেকে এখন পর্যন্ত পেঁয়াজ কতবার যে সংবাদ শিরোনাম হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলা মুশকিল। এ মোটেই বাড়াবাড়ি নয়। পেঁয়াজের দাম এখন কিঞ্চিৎ কমেছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের ইকোনমিক ক্রাইম ইউনিট পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধান করেছে। তাদের পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে- বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধি ও দেশীয় জোগান কম থাকায় নয়, কারসাজি করেই পেঁয়াজের দাম বাড়ানো হয়েছে। কখনও কখনও আমদানি মূল্যের দ্বিগুণ দামে ভোক্তারা পেঁয়াজ কিনতে বাধ্য হয়েছেন। কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী একশ্রেণির ব্যবসায়ী পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মজুদও গড়ে তোলেন। মাঝখানে কয়েকটি স্তরে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। সিআইডির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানায়।
বাণিজ্য সচিব শুভাশীষ বসু সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশের ওই প্রতিবেদন পাওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনেক সময় অতি মুনাফার লোভে বাড়ানো হয়েছে দাম।
এব্যাপারে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম বলেন, হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ অনুসন্ধান করে সিআইডি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে। দেশের চারটি বন্দরের মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানির রেকর্ড ও দাম পর্যালোচনা করা হয়েছে। কেন আমদানি মূল্যের সঙ্গে খুচরা বাজারে দামের বিশাল ফারাক- এ ব্যাপারে যৌক্তিক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি ব্যবসায়ীরা।
সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, সিআইডির পর্যালোচনায় পেঁয়াজের দাম বাড়ার পেছনে নানা কারসাজি ধরা পড়েছে। এখন সরকারের নীতিনির্ধারক মহলে আলোচনার পর জড়িতদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করা হবে।
