ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহ অফিস: অধ্যাপক কালীপদ (কেপি) বসু আধুনিক বীজ গণিত লিখে ইতিহাস হয়ে আছেন। ঝিনাইদহের অজ পাড়াগাঁয়ের এই মানুষটির কথা কেও ভোলেন নি। ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে লেখতে গেলে কেপি বুসর নাম চলে আসে। ভুবন আলোকিত করতে কালে কালে এমন মানুষ খুব কমই আসেন। এমন না হলেও ঝিনাইদহের সন্তান ডা: সৌমিত্র চক্রবর্তী নবম ও দশম শ্রেনীর জন্য জীববিজ্ঞান লিখে আলোচনায় এসেছেন। পেশায় তিনি একজন ডাক্তার। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি প্রখর মেধাবী ছিলেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, শিশুকালে ঝিনাইদহের চাইল্ডকেয়ার, কৈশরে কাঞ্চননগর মডেল স্কুল, ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করে ৩৩তম বিসিএসে উত্তীর্ন হয়ে সরকারী চাকরীতে যোগদান করে মেধার সাক্ষর রেখেছেন। তিনি গণিত অলিম্পিয়াডের কাযকরী পরিষদের সদস্য ও বায়োলজী অলিম্পিয়াডের সাধারণ সম্পাদক। বর্তমান তিনি বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এমডি কোর্সের শেষ পর্বে অধ্যায়নরত। ডা: সৌমিত্র চক্রবর্তী নবম ও দশম শ্রেনীর জন্য জীববিজ্ঞান লিখে এবার ইতিহাস হলেন। হৈচৈ বা সাড়া না পড়লেও নীরবে নিভৃত্তে তার এই মেধার সাক্ষর ঝিনাইদহবাসির জন্য কমই বা কিসের ? তাঁর বাবা ডাঃ দুলাল চক্রবর্তী ঝিনাইদহ শহরের একজন পরিচিত সজ্জন মানুষ। তিনিও পেশায় শিশু চিকিৎসক। অবসর নিয়েছেন আই.এইচ.টি এর অধ্যক্ষ হিসেবে। বর্তমান বিএমএর সাধারণ সম্পাদ হিসেবে দায়িত্বরত। বসবাস ঝিনাইদহ শহরের আদর্শপাড়ায়। ডা: সৌমিত্র চক্রবর্তীর এই কৃতিত্তে গর্বিত ঝিনাইদহবাসি।
