ছবির ক্যাপশন:
মাথাভাঙ্গা ব্রিজে ধ্বস : কর্তৃপক্ষের নামমাত্র সাইনবোর্ড
ফেরদৌস ওয়াহিদ: চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা সেতুর মাঝের ধ্বসে যাওয়া অংশ ইস্পাতের প্লেট দিয়ে মেরামত করা হয়েছে। ব্রিজটি ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা প্রতিনিয়ত চলছে। যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছে এলাকাবাসী ও পথচারীরা। এ সমস্যায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে কারণ হিসেবে দেখছে সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর জেলার একমাত্র সংযোগ সেতু মাথাভাঙ্গা ব্রিজের মাঝের অংশ ধ্বসে পড়ে। পরে সেটি ইস্পাতের প্লেট দিয়ে মেরামত করা হয়। এবং এই ব্রিজের উপর দিয়ে সকল প্রকার ভারী যানবাহন চলাচলের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলায় ব্রিজের উপর দিয়ে সব ধরনের ভারী যানবাহন চলাচল করতে থাকে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। সর্বশেষ গত বুধবার ব্রিজের মাঝখানের অপর একটি অংশ ধ্বসে পড়ে। তাৎক্ষনিকভাবে ব্রিজটি সাময়িক যানচলাচলের উপযোগী করে চুয়াডাঙ্গা সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এসময় ব্রিজটি চলাচলের জন্য প্রচন্ড ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করে সব ধরনের ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে চুয়াডাঙ্গা সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু প্রতিনিয়ত এই ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করছে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসী ও সাধারণ পথচারীদের সাথে কথা বললে তারা জানায়, ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ ও ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় প্রতিনিয়ত ভারী যানবাহন চলছে এই ব্রিজ দিয়ে। তারা এর উপর দিয়ে প্রচন্ড ঝুঁকিপূর্ণভাবে এবং আতঙ্কে ব্রিজটি পারাপার হচ্ছে বলে জানায়। সেইসাথে যত দ্রুত সম্ভব নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য কর্র্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।
