ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা গহেরপুরে আলমসাধু চালককে ডাকাত সন্দেহ করায়
তিতুদহ প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার তিতুদহ ইউনিয়নের গহেরপুরে আলমসাধু চালককে ডাকাত বলে সন্দেহ করায় বিল্লাল হোসেন নামক এক প্রভাষক কে পিটিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে। আহত বিল্লাল হোসেন বড়শলুয়া নিউ মডেল কলেজের ইসলাম ধর্ম বিষয়ক প্রভাষক। গতকাল সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গত রবিবার রাত সাড়ে ৮টার সময় একদল ডাকাত সদস্য গহেরপুর মাঠ সংলগ্ন পাঁচ কবর নামক স্থানে ডাকাতির প্রস্তুতি চালাচ্ছিল। ঠিক তখনই ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার দতিয়ারকুঠি গ্রামের সাবদারের ছেলে মিরাজুল ইসলাম কুষ্টিয়া থেকে নতুন আলমসাধু নিয়ে সদর উপজেলার গহেরপুর গ্রামে মামা শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছিল। গহেরপুর মাঠের মধ্যে পৌছালে সে দুর থেকে দেখতে পায় যে কয়েকজন লোক মাঠের মধ্যে রাস্তার উপর রাম দা হাতে দাঁড়িয়ে আছে। এদৃশ্য দেখে সে খুব দ্রুত গাড়ি ঘুরিয়ে গড়াইটুপি বাজারে যায়। সেখানে ব্যাডমিন্টন খেলা করা কিছু ছেলের সাথে ঘটনাটি বললে তারা দ্রুত লাঠি সোটা নিয়ে মাঠের মধ্যে যায় কিন্তু কাউকে খুজে পায় না। পরে গহেরপুর গ্রামের প্রভাষক বিল্লাল হোসেন আলমসাধু চালক মিরাজুলের ওপরই ডাকাতির সন্দেহ করে বসে। পরে সে গ্রামের সকলকে একথা জানালে রেগে ফেটে পড়ে মিরাজুল। এরই প্রেক্ষিতে গতকাল সোমবার বিল্লাল ফজরের নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হবার সময়, আগে থেকেই মসজিদের সামনে অবস্থান করা মিরাজুল ও তার মামা শ্বশুর ঝন্টু তাকে বাঁশ দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এতে বিল্লাল মাথায় প্রচন্ড আঘাত পেয়ে মাটিতে লুাটয়ে পড়ে। পরে তার পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। বিল্লালের পরিবার পক্ষ থেকে আলমসাধু চালক মিরাজুলের বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় দু’টি মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
