গাংনীতে বিএনপির দুটি কার্যালয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অগ্নিসংযোগ

আপলোড তারিখঃ 2017-12-16 ইং
গাংনীতে বিএনপির দুটি কার্যালয়ে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অগ্নিসংযোগ ছবির ক্যাপশন:
গাংনী অফিস: মেহেরপুরের গাংনীতে বিএনপির দুটি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ভাংচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান বানচাল করতেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপি নেতাদের। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে বিজয় দিবস উপলক্ষে এক মিছিল শেষে তারা এ হামলা চালায়। কার্যালয় দুটির মধ্যে একটিতে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়, যেখানে সাবেক সংসদ সদস্য জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেনসহ তার অনুসারীরা এবং অপরটিতে জেলা বিএনপির সহসভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের অনুসারীরা কর্মকা- পরিচালনা করেন। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে মহান বিজয় দিবস পালন উপলক্ষে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের গাংনী বাজারস্থ কার্যালয়ে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর পরপরই গাংনী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন ও ছাত্রলীগের সভাপতি তৌহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে একটি মিছিল বের করা হয়। মিছিল শেষে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা গাংনী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে জাভেদ মাসুদ মিল্টনের কার্যালয়ে হামলা চালায়। এসময় কার্যালয়ের আসবাবপত্র গুলো বাইরে ছুড়ে ফেলে তাতে পেট্রল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। পরে উপজেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। মেহেরপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি বানচাল করতেই যুবলীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীরা বিএনপির অফিস ভাংচুর ও আসবাব পত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। গাংনী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু বলেন, সরকার রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা করতে ব্যার্থ হয়ে হামলা মামলার পথ বেঁছে নিয়েছে। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে তারই অংশ হিসেবে বিএনপি কার্যালয় ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে গাংনী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন জানান, সন্ধ্যায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বিজয় দিবসের আগমনীতে গাংনী উপজেলা শহরে একটি আনন্দ মিছিল বের করে। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাদের অফিসের মধ্যে আগামীকালের ১৬ ডিসেম্বরের প্রোগ্রামে বাধা প্রদানের ষড়যন্ত্র করছে এমন সংবাদে আমরা হামলা চালায়। গাংনী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোশারেফ হোসেন জানান, -আমি গাংনী উপজেলা যুবলীগের সভাপতিসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা গোপন সংবাদ পায় আগামীকাল বিজয় দিবসের সরকারী অনুষ্ঠানটি জামায়াত-বিএনপির লোকজন বানচাল করার লক্ষ্যে গোপন বৈঠক বসে। এমন খবরে আমরা তাদের অফিসে আগাম হামলা চালায়। যাতে ২০১৩ সালের মত জ্বালাও পোড়াও না করতে পারে বিএনপি-জামায়াত জোট। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেক বলেন, বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সন্ধ্যায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা গাংনী উপজেলা শহরে একটি মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় কে বা কারা বিএনপির অফিস থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। ইট-পাটকেলের আঘাতে ছাত্রলীগ কর্মী সজীব আহত হয়েছেন। পরে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে অফিসে হামলা করে। সঙ্গে সঙ্গেই দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। গাংনী থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, বিএনপির কার্যালয়ে কে বা কারা হামলা চালিয়েছে বা অগ্নি সংযোগ করেছে তিনি জানেননা। তবে শুনেছি ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)