ছবির ক্যাপশন:
জীবননগরে সাবেক মেম্বার খলিল ও পৌর কাউন্সিলর আজম গ্রুপের কয়েকজনের সংঘর্ষ
জীবননগর অফিস: জীবননগরে সাবেক মেম্বার খলিল ও পৌর কাউন্সিলর খন্দকার আলী আজম গ্রুপের সদস্যদের সংঘর্ষের ঘটনায় মনোহারপুর ইউনিয়নের পিয়ারাতলায় আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচনী কার্যালয় ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আতঙ্কে গোটা ইউনিয়নবাসী। যে কোন সময় হতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা। আতঙ্ক বিরাজ করছে তাদের মাঝে।
স্থানীয় এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার জীবননগর পৌরসভার কাউন্সিলর খন্দকার আলী আজম গ্রুপের সদস্য লক্ষীপুর গ্রামের তাজু ও মশিয়ারের সাথে সাবেক মেম্বার খলিল গ্রুপের সদস্য পিয়ারাতলা গ্রামের মিলন ও ফারুকের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায় উভয় পক্ষের মধ্যে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে খলিল গ্রুপের এক সদস্য আহত হয়। এ বিষয় নিয়ে খন্দকার আলী আজম তার গ্রুপের সদস্যদের মন বুঝানো বিচার করে। এ বিচারটি মেনে নিতে না পেরে মঙ্গলবার রাত ৯টার সময় আওয়ামী লীগ নেতা খলিলসহ তার গ্রুপের সদস্যরা পিয়ারাতলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অফিসে যায়। সেখানে পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম, মনোহারপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্ব্চানে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতিক নৌকার প্রার্থী, জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য, খন্দকার আলী আজমসহ বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। এমন সময় খলিল তার গ্রুপের সদস্যদের মারধর করার ব্যাপারে আলী আজমকে বলতে গেলে তিনি বলেন- আমরা যে বিচার করেছি, আপনাদের পছন্দ না হলে আপনারা বসে একটা সময় দেবেন। আমরা সেখানে গিয়ে বিচার করা হবে। এ কথা বলার সাথে খলিলসহ তার সাথে থাকা ৩০ থেকে ৪০ জন সদস্য লাঠিসোটা নিয়ে মেয়র, সোহরাব হোসেন খাঁনসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মিদের সামনেই পিয়ারাতলা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অফিসের চেয়ার, টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাংচুর করে। পরে খবর পেয়ে জীবননগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
এ ব্যাপারে মনোহারপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী সোহরাব হোসেন খাঁন বলেন, খলিল ও তার দলবল যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করেছে, আসলে এটি এ ইউনিয়নের ঘটনা নয়। এটা পৌরসভার ঘটনা। আমরা নিষেধ করা সত্বেও তারা আমার অফিসে ভাংচুর করেছে। আমি এর তিব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ বিষয়ে কোন মামলা হয়েছে কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কোন এখনও করিনি। যেহেতু এটা দলীয় ব্যাপার, আমি দলীয় নেতাদের বলেছি তারা যে সিদ্ধান্ত দিবেন সেটিই হবে। এ ব্যাপারে কাউন্সিলার খন্দকার আলী আজম ও সাবেক মেম্বার খলিলের সাথে কথা বলার জন্য ফোন দিলে ফোনটি রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার পিয়ারাতলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচন অফিসে যে ভাঙচুর হয়েছে এটি আমি দেখেছি। এখনও পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ হয়নি। তবে থানায় অভিযোগ করলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করব।
এদিকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যলয়ে ভাংচুর সংবাদ শুনে ঘটনা স্থানে ছুটে আসেন জীবননগর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোর্তুজা, জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মো. আ. লতিফ অমলসহ আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মি এবং সকলে এ ঘটনার তিব্র নিন্দ্রা ও প্রতিবাদ জানান। এদিকে, এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে যে কোন সময় হতে পারে একটি বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।
এ ব্যাপারে মনোহারপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী সোহরাব হোসেন খাঁন বলেন, খলিল ও তার দলবল যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার নির্বাচনী অফিস ভাংচুর করেছে, আসলে এটি এ ইউনিয়নের ঘটনা নয়। এটা পৌরসভার ঘটনা। আমরা নিষেধ করা সত্বেও তারা আমার অফিসে ভাংচুর করেছে। আমি এর তিব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এ বিষয়ে কোন মামলা হয়েছে কি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কোন এখনও করিনি। যেহেতু এটা দলীয় ব্যাপার, আমি দলীয় নেতাদের বলেছি তারা যে সিদ্ধান্ত দিবেন সেটিই হবে। এ ব্যাপারে কাউন্সিলার খন্দকার আলী আজম ও সাবেক মেম্বার খলিলের সাথে কথা বলার জন্য ফোন দিলে ফোনটি রিসিভ না করায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার পিয়ারাতলায় আওয়ামী লীগের নির্বাচন অফিসে যে ভাঙচুর হয়েছে এটি আমি দেখেছি। এখনও পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ হয়নি। তবে থানায় অভিযোগ করলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহন করব।
এদিকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কার্যলয়ে ভাংচুর সংবাদ শুনে ঘটনা স্থানে ছুটে আসেন জীবননগর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোর্তুজা, জীবননগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মো. আ. লতিফ অমলসহ আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মি এবং সকলে এ ঘটনার তিব্র নিন্দ্রা ও প্রতিবাদ জানান। এদিকে, এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে যে কোন সময় হতে পারে একটি বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।
