ছবির ক্যাপশন:
উৎসবমুখর পরিবেশে বর্ণিল আয়োজনে দৈনিক সময়ের সমীকরণের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত : প্রতিনিধিদের মিলনমেলায় পরিণত
নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের সর্বাধিক পাঠকনন্দিত দৈনিক সময়ের সমীকরণ’র ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী র্যালী, আলোচনাসভা, গুণীজন সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে উৎযাপিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কোর্ট মোড়স্থ পুলিশ পার্ক লেন অফিস থেকে সময়ের সমীকরণের লোগো সম্বলিত গেঞ্জি ও ক্যাপ পরে বর্ণাঢ্য র্যালী বের করা হয়। এ সময় বিশিষ্টজন ও প্রতিনিধিদের মিলনমেলায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সাজোয়া ব্যান্ড পার্টি আর সময়ের সমীকরণের ‘সততা আমাদের শক্তি’ থিম সং এর সাথে মেতে ওঠেন প্রতিনিধি ও আনন্দ র্যালিতে অংশগ্রহনকারীরা। র্যালিটি কোর্ট মোড়, শহীদ হাসান চত্বর, সমবায় নিউ মার্কেট ঘুরে একই স্থানে এসে শেষ হয়। সময়ের সমীকরণের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার অব সিঙ্গাপুর’র সভাপতি আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিকের নেতৃত্বে র্যালিতে অংশ নেন জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ, ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড ও এফবিসিআই এর পরিচালক বাবু দিলিপ কুমার আগরওয়ালা, সময়ের সমীকরণের প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন, প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন, চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইসচার্জ (ওসি) তোজাম্মেল হক, চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যপক সিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা আদর্শ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যপক এস এম ই¯্রাফিল ইসলাম, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যন নাবিলা রুখসানা ছন্দাসহ পত্রিকার আমন্ত্রিত অতিথি ও প্রতিনিধিরা।
অফিস সহকারী রাহুল রাজ, প্রতিনিধি আফজালুল হক ও আব্দুল আওয়াল র্যালিটির সামনে এবং বার্তা সম্পাদক হুসাইন মালিক, প্রতিনিধি মিঠুন মাহমুদ ও ওয়াসিম রয়েল পিছন থেকে বাজি ফুটিয়ে শোভাযাত্রায় আনন্দের নতুন মাত্রা যোগ করেন। জৈষ্ঠ্য প্রতিবেদক উজ্জ্বল মাসুদকে র্যালির শুরু থেকে ক্যামেরা হাতে দেখা যায়। কম্পিউটার অপারেটর রাহাত শুভ ও প্রতিনিধি রোকনুজ্জামানকেও ক্যামেরা নিয়ে ফটোসেশনে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। সাহিত্য সমীকরণের সম্পাদক এমএ মামুনের সার্বিক তত্বাবধায়নে পুরো অনুষ্ঠান জুড়েই ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান বেশ ব্যস্ত ছিলেন। নিজস্ব প্রতিবেদক এসএম শাফায়েত তার চিরচারিত স্বভাব আনন্দ র্যালির ব্যানার নিয়ে অতিথিদের সাথে পাশাপাশি যেতে ভোলেননি। সবাই যখন আনন্দ উৎসবে ব্যস্ত তখনও সহকর্মী সোহেল রানা ডালিম তার দায়িত্ব থেকে পিছপা না হয়ে খাতা কলম নিয়ে সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত। সহ-সম্পাদক সুমন পারভেজ ও পলাশ কুমারের দিক নির্দেশনায় কম্পিউটার অপারেটর আনিছ বিশ্বাসকে সাথে নিয়ে সোহেল সজীবকে পরিবেশ ঠিক রেখে র্যালির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেন। স্বপ্নচারী সম্পাদক মেহেরাব্বীন সানভি কুইজ বিজয়ীদের নিয়ে তার ব্যস্ততারও কমতি ছিলোনা। শোভাযাত্রার শেষ পর্যায়ে আনন্দ ধরে রাখতে না পেরে সমীকরণ পরিবারের অন্যতম সদস্য মাবুদ সরকার নেচে নেচে সবার আনন্দকে বাড়িয়ে দেন।
র্যালী শেষে পুলিশ পার্কে নির্মিত সমীকরণ মঞ্চে আলোচনাসভায় যোগদেন আমন্ত্রিত অতিথিসহ বিশিষ্ট জনেরা। ‘সততা আমাদের শক্তি’ এই শ্লোগানে সময়ের সমীকরণ দু’টি বছর অতিক্রম করেছে। সততা, নিষ্ঠা ও গ্রহনযোগ্যতা দিয়ে খুব অল্প সময়ে দেশের দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের সর্বাধিক পাঠক নন্দিত দৈনিক সময়ের সমীকরণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। সময়ের সমীকরণ’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বিশিষ্টজনেরা তাদের আলোচনায় এমনই ভূয়সী প্রশংসা করেন। সকাল সাড়ে ১১টায় পুলিশ পার্কের সমীকরণ মঞ্চে পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্ব সাহিদুজ্জামান টরিকের সভাপত্বিতে সভায় প্রধান অতিথি থেকে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক লেখক, উপন্যাসিক, অনুবাদক, প্রাবন্ধিক ও সমালোচক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘একটা খবরের কাগজের অনেক দ্বায়িত্ব আছে সমাজ বা রাষ্ট্র্র পরিবর্তনের জন্য। ঢাকাসহ বাংলাদেশে অনেক বড় বড় খবরের কাগজ বের হয়। তারা কতটা কাজ দেশের উন্নয়নে করছে তা আপনারা অনেকে জানেন। এ সময় তিনি ইংরেজি সাহিত্যিক টি.এস এলিগেটর এর উদারণ দিয়ে বলেন, ‘তিনি লিখেছেন, একজন কবি একটি গোত্রের ভাষাকে পরিশুদ্ধ করার ভূমিকা পালন করেন। তেমনিভাবে সে কাজই করে একটি সংবাদপত্র। দৈনিক সময়ের সমীকরণ এ অঞ্চলের মানুষের কথা বলে। একইসাথে তাদের জীবন সংগ্রাম নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’ তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশ্যে বলেন, ‘মুখস্থ বিদ্যা কোন শিক্ষা নয়। মনের জানালা খুলে দাও। অধিক পরিমান জ্ঞান অর্জন করো।’ আমাদের দেশের শ্রমিক যারা বিদেশে কাজ করছে তাদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভারত শ্রীলংকা যে ভাবে শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছ। আমরা তার ধারের কাছেও নই। এ জন্য আমরা দিন দিন পিছিয়ে পড়ছি। আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা তাদের মত হলে আমাদের বিদেশি শ্রমিকরা আজ তিন চার ভাগ বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারতো।’ এছাড়াও বর্তমান যুগের শালিনতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘একটা সময় ছিলো তখন ভদ্রতা শালিনতা পরিবার থেকে শিক্ষা পেতো। আজ সিনেমা বা বিজ্ঞাপন যাই বলিনা কেনো পরিবার পরিজন নিয়ে একসাথে উপভোগ করার মতো কোনো অবস্থা নেই। আজ আমাদের দেশ উন্নত হচ্ছে। পদ্মা সেতু হচ্ছে নিজেদের অর্থায়নে, সড়ক যোগাযোগ ব্যাবস্থার আমুল পরিবর্তন হচ্ছে। কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়ন হচ্ছে চোখে পড়ার মতো। এ উন্নয়ন আরো তরানিত্ব করতে হলে ভালো মানের শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই।
প্রধান বক্তা জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘পত্রিকার পাতায় একবার একটা লেখা ছাপা হলে সেটা মুছা যায় না। প্রতিটা সংবাদ পত্রের নিজস্বকীয়তা থাকা দরকার। আর তা না হলে একটা পত্রিকা পড়লে তো আর একটা পড়া লাগেনা। নিজস্বকীয়তা থাকলে সমাজের অনেক অজানা বিষয়গুলো ভালোভাবে পত্রিকার পাতায় চলে আসবে। এমন অনেক সংবাদ আছে যেগুলো কয়েকটি পত্রিকায় প্রায় একই রকম হয়। এ কাজগুলো পরিহার করতে হবে। এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সকালে স্থানীয় পত্রিকা পড়ি কোন সমস্যা থাকলে ওই সংবাদের ছবি তুলে সে অনুপাতে ব্যাবস্থা গ্রহণ করি। তিনি আরো বলেন, দৈনিক সময়ের সমীকরণ একটা আকর্ষনীয় নাম। যেদিন প্রথম এই পত্রিকার নাম শুনি সে সময় নামটা আমার পছন্দ হয়েছে এবং পত্রিকার লেখা পরিবেশনা ইত্যাদি বিষয়গুলো আমার ভালো লেগেছে। যার কারনে আমি এ পত্রিকা পড়ি এবং অনুসরণ করি। এ জেলাতে অনেক কাজ হয়েছে তার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক হলো সাংবাদিকরা। আমরা ১ ঘন্টায় সাড়ে ৭ লক্ষ গাছ রোপন করেছি। ঝিমিয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গনকে জাগিয়ে তুলতে স্বক্ষম হয়েছি। সাংবাদিকরা যদি এগুলো সুন্দর ভাবে ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় না আনতো তাহলে আমাদের এ ভালো কাজের কোনো মূল্য ছিলনা। এ সময় তিনি দৈনিক সময়ের সমীকরণ’র নিজস্ব প্রতিবেদক এসএম শাফায়েত ও শিশু সাংবাদিক মেহ্রোব্বিন সানভির নাম উচ্চারণ করে বলেন, ‘আমি তাদের কাজ, আচার ব্যাবহার দেখে মুগ্ধ হয়েছি। একদিন হঠাৎ তাদের অফিসে গিয়েছি। আলোচনা ও সমালোচনা করেছি। তারা সে সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করে সেখান থেকে সরে আসার চেষ্টা করেছে বা করছে। পত্রিকায় লেখা ছাপানোর বিষয়ে তিনি বলেন, লেখার সময় খেয়াল রাখবেন বানান যেনো ভুল না হয়। কারন একটা ছোট শিশু এখান থেকে অনেক কিছু শিখবে। তাছাড়া এখন মানুষ অনেক সচেতন অধিকাংশ মানুষ পত্রিকা পড়ে আলোচনা সমালোচনা করেন। দৈনিক সময়ের সমীকরণ অনেকটা পথ অতিক্রম করেছে এখন যে পর্যায়ে আছে আশা করবো আগামীদিন আরো ভালো অবস্থায় থাকবে চুয়াডাঙ্গা জেলার এই জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকাটি মানুষের জীবন মান উন্নয়ন নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করবে এই আশারাখি।
অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্জ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা জেলার ভালোকাজে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া ব্যাক্তি ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর মালিক বাবু দিলীপ কুমার আগারওয়ালার ভূয়াসি প্রশংসা করে বলেন, চুয়াডাঙ্গার জেলার জন্য সে নিবেদিত প্রাণ। এ সময় তিনি চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের ভালো কাজের কথা উল্লেখ করে বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার ভালোর জন্য আপনাদের এখানে আনা হয়েছে। এসেই আপনারা আপনাদের কাজ শুরু করেছেন যার সুফল চুয়াডাঙ্গাবাসী পেতে শুরু করেছে। এ সময় তিনি আরো বলেন সন্ত্রাস-মাদক-ইভটিজিং এই তিনটা বিষয়কে ছাড় দেবেন না। এ বিষয়ে কারো সুপারিশ শুনবেন না। আমরা চাই আমাদের জেলা মাদকমুক্ত সন্ত্রাসমুক্ত হোক। এ সময় তিনি তার জীবনের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি হ্যা, আর না তে বিশ্বাস করি। মধ্যবর্তী কোন স্থানে থাকিনা। লক্ষ্য ঠিক রেখে এগিয়ে যান জীবনে সফলতা আসবেই। চুয়াডাঙ্গার উন্নয়ন নিয়ে বলেন, চুয়াডাঙ্গাকে সিঙ্গাপুর বানাতে পারবনা তবে স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দিইনি। এ সময় সাংবাদিকদের জীবনের করুন ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, সে সকল সংবাদপত্র ভালো কাজ করেছে। তাদের পাশে এসে দাড়ান দেখবেন আপনার জীবন আরো সুন্দর হবে। সমাজের ভালোদিক খারাপদিক এই সাংবাদিকরাই তুলে ধরবে সমাজের কর্তা ব্যাক্তিদের কাছে। তিনি এ সময় আরো বলেন, এখানে আমার পরিবার থাকে না বাবু দিলীপ কুমারের পরিবার থাকেনা। তারপরও আমরা চিন্তা করি এই ছোট শহরটাকে নিয়ে। যদি আপনারা ভালো থাকেন তাহলে আমরা শান্তি পাবো। আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করছি আপনাদের নিরাপত্তা সামাজিক জীবন মান কি ভাবে আরো উন্নত করা যায়। তবে এ কাজ আমার বা দিলীপ কুমারের মত দুই একজনের কাজ না সমাজের যারা বিত্তবান আছেন তারাও এগিয়ে আসবেন। দেখবেন আপনার চারপাশ কত বদলে গেছে। কোন একটা ভালো কাজ কাওকে না কাওকে শুরু করতে হবে। আপনি শুরু করেন দেখবেন আপনার পাশে কতলোক দাড়িয়ে গেছে। যখন এ পত্রিকাটি যাত্রা শুরু করে বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ তৃতীয় বছরে পদার্পন করেছে। আশা করি এ পত্রিকাটি উত্তরোত্তর সফলতা পেয়ে আপনাদের চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর মন জয় করে সামনে আরো ভলো করবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআই’র পরিচালক বাবু দিলীপ কুমার আগারওয়ালা বলেন, ‘এই পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠ পোষক সাহিদুজ্জামান টরিকের মধ্যে না বলে কোন শব্দ নেই। আমি যাই বলি সে বলে হ্যা এটা করতে হবে। এটা করলে চুয়াডাঙ্গার ভালো হবে। প্রতিটা সময় চুয়াডাঙ্গাকে নিয়ে চিন্তা করেন সে। দৈনিক সময়ের সমীকরণ তার অন্যান্য চিন্তার মধ্যে একটি। চুয়াডাঙ্গার মানুষ একটি ভালো পত্রিকা পাবে। যেখানে কোন পক্ষপাতিত্ব থাকবেনা। সমাজের প্রতিটা সমস্যা তুলে আনবে পত্রিকার পাতায়। অতি স্বল্প সময়ে মধ্যে সাধারণ পাঠকের মন জয় করে এই পরিবারের প্রতিটা সদস্য সেটাই করার চেষ্টা করছে। এসময় তিনি আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার প্রতিটি সদস্য বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন মান উন্নয়ন নিয়ে কাজ করবে।’
সময়ের সমীকরণ সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিব’র পরিচালক লে. কর্ণেল ইমাম হাসান বলেন, ‘ভবিষ্যতের দিনগুলোতে যে সকল কার্যক্রম আমরা হাতে নেবো সকল পজিটিভ কাজে সময়ের সমীকরণ’র আন্তরিক সহযোগিতা আমাদের সাথে থাকবে। এই পত্রিকার স্লোগান ‘সততাই আমাদের শক্তি’ আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আমার দোয়া থাকবে আপনারা যেন প্রকৃত অর্থেই এই বক্তব্যকে ধারণ করতে পারেন আপনাদের মাঝে। এ ছাড়া সময়ের সমীকরণ’র থিম সং’র ভেতর একটা ছিল- সাদাকে সাদা এবং কালো কে কালো বলার প্রতিশ্রুতি আপনারা দিয়েছেন প্রকৃত অর্থেই আপনারা এটার উপর স্থির থাকতে পারেন ও সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন বলেন, ‘আজ থেকে ঠিক ২ বছর আগে যে স্বপ্ন নিয়ে সময়ের সমীকরণ’র যাত্রা শুরু হয়েছিল। সফলতা আর ব্যর্থতার সংমিশ্রণে তা অনেকাংশেই পূরণ হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেছি এই পত্রিকাটিকে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য। যদি ধৈর্য্য ধরা যায়, যদি ত্যাগ স্বীকার করা যায়, যদি একটু কষ্ট করা যায় তাহলে একটু দেরিতে হলেও সম্ভাবতা অবিসম্ভাবি। আমরা হলুদ সাংবাদিক, অশ্লীল, খারাপ কিছুর আশ্রয় প্রশ্রয় দিই না।’
সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম বলেন, ‘একটি সংবাদপত্রের এগিয়ে যাওয়ার প্রধান হাতিয়ার সততা। আর সেই সততার শক্তি নিয়ে সময়ের সমীকরণ এগিয়ে চলেছে। তাদের এ অগ্রযাত্রার শুভ কামনা করছি। সময়টা খুব অল্প সময় হলেও দু’বছরে নিজেদের সেরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে পত্রিকাটি। আমি চুয়াডাঙ্গায় যোগদানের পর থেকে অনেক সংবাদপত্রের মধ্যে এটি একটু ব্যতীক্রম দেখেছি। বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতায় পেয়েছি অনেক। আগামীতেও তারা আমাদের সাথে থাকবে, সততা নিয়ে এগিয়ে যাবে এই আমাদের আশা।’
সন্ধ্যায় সময়ের সমীকরণের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্যাপনে সমীকরণ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আনন্দের কমতি ছিলো না। আনন্দকে আরো উপভোগ ও চুয়াডাঙ্গা শহরবাসীর সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাজী উৎসবে মেতে ওঠে সমীকরণ পরিবার। সন্ধ্যায় পুলিশ পার্ক লেন, কোর্ট মোড় সমীকরণ পত্রিকার অফিসের সামনে থেকে এ আতশবাঁজী উৎসবটি শুরু হয়। প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন প্রথমে বাজী ফুটিয়ে এ উৎসবের সূচনা করেন। ব্যান্ড পার্টির ঢোলের তালে নাচে নাচে বাজী উৎসবে মেতে ওঠেন সহ-সম্পাদক সুমন পারভেজ, পলাশ কুমার, বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক সেলিমুল হাবিব সেলিম, বার্তা সম্পাদক হুসাইন মালিক, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, সমীকরণের অন্যতম সদস্য মাবুদ সরকার, নিজস্ব প্রতিবেদক এস এম শাফায়েত, আফজালুল হক, রাহুল রাজ, ফেরদৌস ওয়াহিদ, সোহেল সজিব, কম্পিউটার বজলুল আলম জীবন, প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান রোকন, ওয়াসিম রয়েল ও সমীকরণ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এ সময় শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। রাত ৮টায় একই মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাতান কুষ্টিয়ার লালন একাডেমির বরেণ্য শিল্পী ও স্টার গ্রুপ চুয়াডাঙ্গার শিল্পীরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্জ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক ও সমীকরণ পরিবারের সাথে যোগদেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাংসদ হাজী আলী আজগার টগর, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি’র পরিচালক লে. কর্ণেল মো. ইমাম হাসান, এফবিসিসিআই’র পরিচালক বাবু দিলীপ কুমার আগারওয়ালা, চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তরিকুল ইসলামসহ আরো অনেকে। এ সময় তাঁরা সাধারণ দর্শক আসনে বসে সমগ্র অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
প্রধান বক্তা জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দীন আহমেদ সাংবাদিকদের ক্ষমতার কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘পত্রিকার পাতায় একবার একটা লেখা ছাপা হলে সেটা মুছা যায় না। প্রতিটা সংবাদ পত্রের নিজস্বকীয়তা থাকা দরকার। আর তা না হলে একটা পত্রিকা পড়লে তো আর একটা পড়া লাগেনা। নিজস্বকীয়তা থাকলে সমাজের অনেক অজানা বিষয়গুলো ভালোভাবে পত্রিকার পাতায় চলে আসবে। এমন অনেক সংবাদ আছে যেগুলো কয়েকটি পত্রিকায় প্রায় একই রকম হয়। এ কাজগুলো পরিহার করতে হবে। এ সময় তিনি আরো বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সকালে স্থানীয় পত্রিকা পড়ি কোন সমস্যা থাকলে ওই সংবাদের ছবি তুলে সে অনুপাতে ব্যাবস্থা গ্রহণ করি। তিনি আরো বলেন, দৈনিক সময়ের সমীকরণ একটা আকর্ষনীয় নাম। যেদিন প্রথম এই পত্রিকার নাম শুনি সে সময় নামটা আমার পছন্দ হয়েছে এবং পত্রিকার লেখা পরিবেশনা ইত্যাদি বিষয়গুলো আমার ভালো লেগেছে। যার কারনে আমি এ পত্রিকা পড়ি এবং অনুসরণ করি। এ জেলাতে অনেক কাজ হয়েছে তার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক হলো সাংবাদিকরা। আমরা ১ ঘন্টায় সাড়ে ৭ লক্ষ গাছ রোপন করেছি। ঝিমিয়ে পড়া ক্রীড়াঙ্গনকে জাগিয়ে তুলতে স্বক্ষম হয়েছি। সাংবাদিকরা যদি এগুলো সুন্দর ভাবে ইলেকট্রিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় না আনতো তাহলে আমাদের এ ভালো কাজের কোনো মূল্য ছিলনা। এ সময় তিনি দৈনিক সময়ের সমীকরণ’র নিজস্ব প্রতিবেদক এসএম শাফায়েত ও শিশু সাংবাদিক মেহ্রোব্বিন সানভির নাম উচ্চারণ করে বলেন, ‘আমি তাদের কাজ, আচার ব্যাবহার দেখে মুগ্ধ হয়েছি। একদিন হঠাৎ তাদের অফিসে গিয়েছি। আলোচনা ও সমালোচনা করেছি। তারা সে সমালোচনা সাদরে গ্রহণ করে সেখান থেকে সরে আসার চেষ্টা করেছে বা করছে। পত্রিকায় লেখা ছাপানোর বিষয়ে তিনি বলেন, লেখার সময় খেয়াল রাখবেন বানান যেনো ভুল না হয়। কারন একটা ছোট শিশু এখান থেকে অনেক কিছু শিখবে। তাছাড়া এখন মানুষ অনেক সচেতন অধিকাংশ মানুষ পত্রিকা পড়ে আলোচনা সমালোচনা করেন। দৈনিক সময়ের সমীকরণ অনেকটা পথ অতিক্রম করেছে এখন যে পর্যায়ে আছে আশা করবো আগামীদিন আরো ভালো অবস্থায় থাকবে চুয়াডাঙ্গা জেলার এই জনপ্রিয় দৈনিক পত্রিকাটি মানুষের জীবন মান উন্নয়ন নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করবে এই আশারাখি।
অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্জ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা জেলার ভালোকাজে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া ব্যাক্তি ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এর মালিক বাবু দিলীপ কুমার আগারওয়ালার ভূয়াসি প্রশংসা করে বলেন, চুয়াডাঙ্গার জেলার জন্য সে নিবেদিত প্রাণ। এ সময় তিনি চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের ভালো কাজের কথা উল্লেখ করে বলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার ভালোর জন্য আপনাদের এখানে আনা হয়েছে। এসেই আপনারা আপনাদের কাজ শুরু করেছেন যার সুফল চুয়াডাঙ্গাবাসী পেতে শুরু করেছে। এ সময় তিনি আরো বলেন সন্ত্রাস-মাদক-ইভটিজিং এই তিনটা বিষয়কে ছাড় দেবেন না। এ বিষয়ে কারো সুপারিশ শুনবেন না। আমরা চাই আমাদের জেলা মাদকমুক্ত সন্ত্রাসমুক্ত হোক। এ সময় তিনি তার জীবনের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি হ্যা, আর না তে বিশ্বাস করি। মধ্যবর্তী কোন স্থানে থাকিনা। লক্ষ্য ঠিক রেখে এগিয়ে যান জীবনে সফলতা আসবেই। চুয়াডাঙ্গার উন্নয়ন নিয়ে বলেন, চুয়াডাঙ্গাকে সিঙ্গাপুর বানাতে পারবনা তবে স্বপ্ন দেখা ছেড়ে দিইনি। এ সময় সাংবাদিকদের জীবনের করুন ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, সে সকল সংবাদপত্র ভালো কাজ করেছে। তাদের পাশে এসে দাড়ান দেখবেন আপনার জীবন আরো সুন্দর হবে। সমাজের ভালোদিক খারাপদিক এই সাংবাদিকরাই তুলে ধরবে সমাজের কর্তা ব্যাক্তিদের কাছে। তিনি এ সময় আরো বলেন, এখানে আমার পরিবার থাকে না বাবু দিলীপ কুমারের পরিবার থাকেনা। তারপরও আমরা চিন্তা করি এই ছোট শহরটাকে নিয়ে। যদি আপনারা ভালো থাকেন তাহলে আমরা শান্তি পাবো। আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করছি আপনাদের নিরাপত্তা সামাজিক জীবন মান কি ভাবে আরো উন্নত করা যায়। তবে এ কাজ আমার বা দিলীপ কুমারের মত দুই একজনের কাজ না সমাজের যারা বিত্তবান আছেন তারাও এগিয়ে আসবেন। দেখবেন আপনার চারপাশ কত বদলে গেছে। কোন একটা ভালো কাজ কাওকে না কাওকে শুরু করতে হবে। আপনি শুরু করেন দেখবেন আপনার পাশে কতলোক দাড়িয়ে গেছে। যখন এ পত্রিকাটি যাত্রা শুরু করে বহু চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ তৃতীয় বছরে পদার্পন করেছে। আশা করি এ পত্রিকাটি উত্তরোত্তর সফলতা পেয়ে আপনাদের চুয়াডাঙ্গা জেলাবাসীর মন জয় করে সামনে আরো ভলো করবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এফবিসিসিআই’র পরিচালক বাবু দিলীপ কুমার আগারওয়ালা বলেন, ‘এই পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠ পোষক সাহিদুজ্জামান টরিকের মধ্যে না বলে কোন শব্দ নেই। আমি যাই বলি সে বলে হ্যা এটা করতে হবে। এটা করলে চুয়াডাঙ্গার ভালো হবে। প্রতিটা সময় চুয়াডাঙ্গাকে নিয়ে চিন্তা করেন সে। দৈনিক সময়ের সমীকরণ তার অন্যান্য চিন্তার মধ্যে একটি। চুয়াডাঙ্গার মানুষ একটি ভালো পত্রিকা পাবে। যেখানে কোন পক্ষপাতিত্ব থাকবেনা। সমাজের প্রতিটা সমস্যা তুলে আনবে পত্রিকার পাতায়। অতি স্বল্প সময়ে মধ্যে সাধারণ পাঠকের মন জয় করে এই পরিবারের প্রতিটা সদস্য সেটাই করার চেষ্টা করছে। এসময় তিনি আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি দৈনিক সময়ের সমীকরণ পত্রিকার প্রতিটি সদস্য বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন মান উন্নয়ন নিয়ে কাজ করবে।’
সময়ের সমীকরণ সংশ্লিষ্ট সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিব’র পরিচালক লে. কর্ণেল ইমাম হাসান বলেন, ‘ভবিষ্যতের দিনগুলোতে যে সকল কার্যক্রম আমরা হাতে নেবো সকল পজিটিভ কাজে সময়ের সমীকরণ’র আন্তরিক সহযোগিতা আমাদের সাথে থাকবে। এই পত্রিকার স্লোগান ‘সততাই আমাদের শক্তি’ আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আমার দোয়া থাকবে আপনারা যেন প্রকৃত অর্থেই এই বক্তব্যকে ধারণ করতে পারেন আপনাদের মাঝে। এ ছাড়া সময়ের সমীকরণ’র থিম সং’র ভেতর একটা ছিল- সাদাকে সাদা এবং কালো কে কালো বলার প্রতিশ্রুতি আপনারা দিয়েছেন প্রকৃত অর্থেই আপনারা এটার উপর স্থির থাকতে পারেন ও সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা সাবেক মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন বলেন, ‘আজ থেকে ঠিক ২ বছর আগে যে স্বপ্ন নিয়ে সময়ের সমীকরণ’র যাত্রা শুরু হয়েছিল। সফলতা আর ব্যর্থতার সংমিশ্রণে তা অনেকাংশেই পূরণ হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেছি এই পত্রিকাটিকে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য। যদি ধৈর্য্য ধরা যায়, যদি ত্যাগ স্বীকার করা যায়, যদি একটু কষ্ট করা যায় তাহলে একটু দেরিতে হলেও সম্ভাবতা অবিসম্ভাবি। আমরা হলুদ সাংবাদিক, অশ্লীল, খারাপ কিছুর আশ্রয় প্রশ্রয় দিই না।’
সিভিল সার্জন ডা. খায়রুল আলম বলেন, ‘একটি সংবাদপত্রের এগিয়ে যাওয়ার প্রধান হাতিয়ার সততা। আর সেই সততার শক্তি নিয়ে সময়ের সমীকরণ এগিয়ে চলেছে। তাদের এ অগ্রযাত্রার শুভ কামনা করছি। সময়টা খুব অল্প সময় হলেও দু’বছরে নিজেদের সেরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে পত্রিকাটি। আমি চুয়াডাঙ্গায় যোগদানের পর থেকে অনেক সংবাদপত্রের মধ্যে এটি একটু ব্যতীক্রম দেখেছি। বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতায় পেয়েছি অনেক। আগামীতেও তারা আমাদের সাথে থাকবে, সততা নিয়ে এগিয়ে যাবে এই আমাদের আশা।’
সন্ধ্যায় সময়ের সমীকরণের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্যাপনে সমীকরণ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে আনন্দের কমতি ছিলো না। আনন্দকে আরো উপভোগ ও চুয়াডাঙ্গা শহরবাসীর সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করতে বাজী উৎসবে মেতে ওঠে সমীকরণ পরিবার। সন্ধ্যায় পুলিশ পার্ক লেন, কোর্ট মোড় সমীকরণ পত্রিকার অফিসের সামনে থেকে এ আতশবাঁজী উৎসবটি শুরু হয়। প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন প্রথমে বাজী ফুটিয়ে এ উৎসবের সূচনা করেন। ব্যান্ড পার্টির ঢোলের তালে নাচে নাচে বাজী উৎসবে মেতে ওঠেন সহ-সম্পাদক সুমন পারভেজ, পলাশ কুমার, বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক সেলিমুল হাবিব সেলিম, বার্তা সম্পাদক হুসাইন মালিক, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, সমীকরণের অন্যতম সদস্য মাবুদ সরকার, নিজস্ব প্রতিবেদক এস এম শাফায়েত, আফজালুল হক, রাহুল রাজ, ফেরদৌস ওয়াহিদ, সোহেল সজিব, কম্পিউটার বজলুল আলম জীবন, প্রতিনিধি রোকনুজ্জামান রোকন, ওয়াসিম রয়েল ও সমীকরণ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। এ সময় শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। রাত ৮টায় একই মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মাতান কুষ্টিয়ার লালন একাডেমির বরেণ্য শিল্পী ও স্টার গ্রুপ চুয়াডাঙ্গার শিল্পীরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে পত্রিকার প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্জ্ব সাহিদুজ্জামান টরিক ও সমীকরণ পরিবারের সাথে যোগদেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সাংসদ হাজী আলী আজগার টগর, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি’র পরিচালক লে. কর্ণেল মো. ইমাম হাসান, এফবিসিসিআই’র পরিচালক বাবু দিলীপ কুমার আগারওয়ালা, চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র ওবাইদুর রহমান চৌধুরী জিপু, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তরিকুল ইসলামসহ আরো অনেকে। এ সময় তাঁরা সাধারণ দর্শক আসনে বসে সমগ্র অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
