বহু জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে চুয়াডাঙ্গার দৌলতদিয়াড় বিএডিসি’র
নিজস্ব প্রতিবেদক: বহু জল্পনা কল্পনার পর দেরীতে হলেও অবশেষে চলতি রবি মৌসুমে বোরো আবাদের জন্য বিএডিসি’র স্কীম ম্যানেজারদের মাঝে বীজ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে, বীজ বিতরণে সদরে নিয়মনীতি দেখা গেলেও গোপনে গোপনে প্রভাবশালী স্কীম ম্যানেজারদের হাতে স্বনামে বেনামে শত শত একরের ধানবীজ বিতরণ করার আশঙ্কা করছে ছোট স্কীম ম্যানেজাররা। এছাড়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তারা বলেন, রাজনৈতিক পেশী শক্তির কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে বিএডিসির স্থানীয় কর্মকর্তারা। যার কারণে প্রান্তিক কৃষকরা বিএডিসিতে ধান বিক্রি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একই সুত্রে জানা গেছে, এই জেলা শহরের অতিচেনা সালাউদ্দীন ও লোটাসসহ একডজন প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোটা বিএডিসি কর্মকর্তা কর্মচারীদের এক প্রকার জিম্মি করে প্রান্তিক কৃষকের নামে স্কীম দেখিয়ে যুগের পর যুগ ধরে ব্যবসা করে আসছে। সাধারণ কৃষক ও ছোট স্কীম ম্যানেজাররা এসব প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে সহজে মুখ খুলতে ভয় পায়। তবে, সাধারণ কৃষক ও ছোট ছোট স্কীম ম্যানেজারদের দাবী প্রকৃত কৃষকরা যাতে বিএডিসিতে তাদের উৎপাদিত ধান বিক্রি করতে পারে এবং বীজ ক্রয় করতে পারে সে ব্যবস্থা করা হোক। গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে বিএডিসির প্রধান কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক খুরশিদ মাসুদ আহম্মেদ চুয়াডাঙ্গার দৌলদিয়াড় বিএডিসি কনট্্রাকগ্রোয়ার্সের উপ-পরিচালক মোর্শেদুল ইসলাম আনুষ্ঠানিকভাবে স্কীম ম্যানেজারদের মাছে বোরো ধান বীজ বিতরণ করেন। এসময় যুগ্ম পরিচালক জানান, আশা করি এখন থেকে আর কোন অনিয়ম বা দূর্নীতি ছাড়াই স্কীম ম্যানেজারের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হবে। উল্লেখ্য, চলতি বছর চুয়াডাঙ্গা বিএডিসি কনট্্রাকগ্রোয়ার্স জোনের ১০ হাজার কৃষকরে জন্য ৮ হাজার ২শ ২০ একর জমির বোরো ধান বীজের চাহিদা চাওয়া হয়। কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চাহিদা থেকে ২ হাজার ৪শ’ ২০ একরের বীজ কম বরাদ্দ দেওয়ায় বোরো বীজ সরবরাহ নিয়ে সমস্যার সৃষ্টি হয়।
