ছবির ক্যাপশন:
ঝিনাইদহ শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড- দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই যেখানে ছড়িয়ে পড়ে শিক-কাবাব আর লুচির সুগন্ধি। সেই সুবাসের উৎস সন্ধান করতে গিয়ে চোখ আটকে যায় ঝিনাইদহের রসনা-বিলাসের অনবদ্য প্রতীক কাবাব ঘরে। এছাড়া আছে ফুচকা, চটপটি, কেক ও বেশ কয়েকটি আধুনিক রেস্টুরেন্ট। স্থানীয় খাদ্যরসিকদের কাছে এ যেন এক নির্ভরতার নাম, যেখানে স্বাদের আভিজাত্য আর স্বাস্থ্যকর পরিবেশের মেলবন্ধনে প্রতিদিন জমে ওঠে শত শত ভোজনরসিকের জমকালো আড্ডা।
তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ধুলাবালি আর যান্ত্রিক শহরের কোলাহল ছাড়িয়ে মানুষ কাবাবের দোকানগুলোতে মানুষ ভিড় করে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কামাল কাবাব ঘর। পরিপাটি, আধুনিক স্যানিটারি ও হাইজিন নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে এক চিলতে তৃপ্তির জন্য এখানেই রসনার খোঁজ পান সব বয়সী মানুষ। কেবল ঝিনাইদহের বাসিন্দারাই নন, প্রতিদিন বিকেল হলেই পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে ভোজনপ্রেমীরা ছুটে আসেন এখানকার বিশেষ কাবাব, লুচি আর ফার্স্টফুডের অনন্য স্বাদ নিতে। সময়ের সাথে সাথে 'কামাল কাবাব', 'স্টার কাবাব' এবং 'মনোয়ার কাবাব' যেন ঝিনাইদহের খাদ্য সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
তবে চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের এই কাবাব ঘরগুলোর এই ঈর্ষাতীত জনপ্রিয়তায় দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছু মানুষ শহরের এই কাবাব ঘরগুলো নিয়ে অপপ্রচার চালালেও ভোজনরসিকদের আস্থা ও ভালোবাসার প্রাচীরে সামান্যতম চিড় ধরাতে পারেনি। বরং মানুষের কৌতুহল ও সমর্থন আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে। অপপ্রচারের উল্টো ফল হিসেবে প্রতিদিন বিকেল থেকেই কাবাব গুলোতে ভোজনরসিকদের ভিড় যেন সামলানোই দায় হয়ে পড়েছে। মিথ্যাচারকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে স্বাদের জাদুতে রসনাবিলাসী মানুষরা আগের চেয়ে আরও বেশি উদ্দীপনা নিয়ে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন প্রিয় কাবাব ঘরে।
খাদ্যরসিকদের মতে, সততা, পরিবেশনের পরিচ্ছন্নতা আর স্বাদের মৌলিকতা বজায় রেখে এই দোকানগুলো ভালবাসার যে স্থান করে নিয়েছে, তা কোনো ক্ষণস্থায়ী অপপ্রচারে ম্লান হওয়ার নয়। অপপ্রচারের মুখেও রসনার এই সাম্রাজ্য আগের চেয়ে আরও বেশি আভিজাত্য আর জনসমাগম নিয়ে স্বমহিমায় ভাস্বর হয়ে উঠেছে।
কামাল কাবাব ঘরের মালিক কামাল হোসেন জানান, তরুণদের একটি বড় অংশ এখানে রসনা ভোজন করতে আসেন। এছাড়া সব বয়সী মানুষ তো আছেই। প্রতিদিন এই ভোজনবিলাসীদের ভিড় বাড়তেই আছে। এর একটি কারণ সততা ও উন্নতমানের খাবার পরিবেশন।
