ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গায় পিয়াল আহম্মেদ ওরফে পিয়াল মাহমুদ সাদ্দাম (৩৩) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ২৬টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া একটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে তিনি পলাতক ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বিকেলে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তারের পাশাপাশি ২০৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ছয়টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ারের নির্দেশনায় আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল শুক্রবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে উপজেলার মিয়াপাড়া-ক্যানালপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় কুদ্দুসের বাড়ির পেছনে শমসের মল্লিকের ডোবা পুকুরের উত্তর-পূর্ব কোণ থেকে পিয়াল সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার হেফাজত থেকে ২০৩টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার পিয়ালের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে আলমডাঙ্গার গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামে তাঁর গোডাউনে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় একটি টেবিলের নিচ থেকে দেশীয় অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি ১৪ ইঞ্চি লম্বা লোহার চাপাতি, কাঠের বাটযুক্ত একটি দেশীয় লোহার কুড়াল, ১০ দশমিক ৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যরে দুটি লোহার ছুরি, কাঠের বাটযুক্ত ২৪ ইঞ্চি লম্বা একটি বড় ছোরা, স্টিলের বাটযুক্ত ৩৩ ইঞ্চি লম্বা একটি বড় ছোরা এবং ৪৪ দশমিক ৫ ইঞ্চি লম্বা একটি লোহার রড।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পিয়াল সাদ্দামের বিরুদ্ধে ২৬টি মামলা বিচারাধীন। এছাড়া আলমডাঙ্গা থানার একটি মামলায় চুয়াডাঙ্গার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে চার বছরের কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডের আদেশ রয়েছে। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি ছিল।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ ব্যবসা প্রতিরোধ এবং জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার পিয়াল সাদ্দামের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
