ঝিনাইদহে চেম্বারে আটকে রেখে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরের অভিযোগ, আইনজীবীর অস্বীকার

আপলোড তারিখঃ 2026-10-16 ইং
ঝিনাইদহে চেম্বারে আটকে রেখে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষরের অভিযোগ, আইনজীবীর অস্বীকার ছবির ক্যাপশন:

ঝিনাইদহে এক ব্যবসায়ীকে আইনজীবীর চেম্বারে আটকে রেখে জোরপূর্বক ১০০ টাকা মূল্যের ৩টি নন-জুডিসিয়াল লিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মাগুরা জেলার রাঘবদাইড় গ্রামের মো. এনামুল ইসলাম (৪৩) বাদী হয়ে ঝিনাইদহ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন- ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুমড়াবাড়িয়া ইউনিয়নের লেবুতলা গ্রামের মো. হানিফ মন্ডল (৫২), ঝিনাইদহ জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান লাল (৪৫) এবং শৈলকূপা উপজেলার বোয়ালিয়া গ্রামের মো. আলম (৪০)।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী এনামুল ইসলামের সঙ্গে হানেফ মন্ডল ও আলমের যৌথভাবে মহিষের ব্যবসা ছিল। ব্যবসায়িক লেনদেন চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হওয়ার পর বর্তমানে এনামুল ইসলাম এককভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিবাদীগণ ঝিনাইদহ লিগ্যাল এইড অফিসে তার নামে একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন।

গত ১৪ অক্টোবর বেলা ৩টার দিকে ২ নম্বর বিবাদী অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান লালের চেম্বারে এনামুল ইসলামকে ডাকা হয়। তিনি সরল বিশ্বাসে ওই আইনজীবীর চেম্বারে গেলে বিবাদীগণ তাকে একটি কক্ষে আটকে ফেলেন এবং চাপ সৃষ্টি করে ১০০ টাকা মূল্যের ৩টি ফাঁকা নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে কিছু লিখে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেন।

ভুক্তভোগী এনামুল ইসলাম জানান, বিবাদীগণ যে কোনো সময় এই স্ট্যাম্প ব্যবহার করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিতে পারে বা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি সাধন করতে পারে। এ কারণে তিনি প্রতিকার চেয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এনামুল ইসলাম আরও অভিযোগ করেন, আগামী ২৬ অক্টোবর ঝিনাইদহ লিগ্যাল এইডে মধ্যস্থতার দিন ধার্য্য আছে। কিন্তু তার আগেই বাদীর আইনজীবী এহেন অনৈতিক ও বিশ্বাস ভঙ্গের কাজ করে আদালতের প্রতি অবমাননার নজীর স্থাপন করেছেন।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান লাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ঘটনার দিন দুই পক্ষের মধ্যে আপস-রফার ভিত্তিত্বে একটি চুক্তিনামা হয়। এনামুল ইসলামকে জোর করে আটকে রাখার প্রশ্নই ওঠে না। চেম্বারে অনেক মানুষ থাকে। সেখানে তো কোনো মানুষকে আটকে রাখা যায় না। তার অভিযোগটি ঠিক নয়।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)