কার্পাসডাঙ্গায় ফল ব্যবসায়ী মধু হত্যার ১১ দিন পার হলেও

মূল অভিযুক্ত মামুন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে

আপলোড তারিখঃ 2026-10-13 ইং
কার্পাসডাঙ্গায় ফল ব্যবসায়ী মধু হত্যার ১১ দিন পার হলেও ছবির ক্যাপশন:

দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা বাজারে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফল ব্যবসায়ী মধু (৫৬) হত্যাকাণ্ডের ১১ দিন অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি মূল অভিযুক্ত মামুন। উল্টো মামলার বাদীসহ নিহতের পুরো পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতা ও হুমকির মুখে দিন কাটাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত মধু উপজেলার আরামডাঙ্গা গ্রামের সিরাজ আলীর ছেলে।


গত ২রা অক্টোবর শুক্রবার রাত ৮টার দিকে কার্পাসডাঙ্গা বাজারের মুচির বটতলা নামক স্থানে মধু বিশ্বাসের ছেলে শামীম বাকিতে সোহাগ নামে এক মোবাইল ব্যবসায়ীর কাছ থেকে একটি পুরোনো মোবাইল ফোন কেনেন। ওই মোবাইলের বকেয়া টাকা পরিশোধকে কেন্দ্র করে শামীম ও সোহাগের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এই নিয়ে স্থানীয় গোলাম ইছা ওরফে নেতা বাঙালের ছেলে মামুনের সাথে ফল ব্যবসায়ী মধুর বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত মামুন ক্ষিপ্ত হয়ে দৌড়ে এসে মধুর বুকে কদবেল ফুটা করা ধাতব দন্ড দিয়ে বুকে আঘাত করে। বাজারের লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


হত্যাকাণ্ডের পর ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নাগালের বাইরে রয়েছে মূল অভিযুক্ত মামুন। এদিকে মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিপক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে নানাভাবে ভয়-ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মামলার বাদী ও মধুর ছেলে শামীমকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। বিচার চাওয়ার পরিবর্তে উল্টো ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর উপক্রম হয়েছে শোকার্ত পরিবারটির। দ্রুত মূল অভিযুক্ত মামুনসহ এজাহারনামীয় সব আসামিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।


এলাকাবাসীর অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এমন একটি নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা না হলে জনমনে অসন্তোষ আরও বাড়তে পারে। তারা অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন জানান, কার্পাসডাঙ্গার মধু হত্যার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে আমাদের পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। নিহতদের পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাহীনতার বিষয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি ঘটনার পর থেকে পরিস্থিতি শান্ত আছে, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আমরা পাইনি। নিহতের পরিবার এই বিষয়ে অভিযোগ করলে আমরা তাদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)