ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা শহরের রেলপাড়ার বাসিন্দা ও মৃত মহাতাব উদ্দীন মল্লিকের ছেলে সাজেদুর রহমান মল্লিক (৭৮) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। গতকাল শুক্রবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
পরিবারের সদস্যরা জানান, গত বুধবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে নিজ বাসভবনে ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন সাজেদুর রহমান। প্রথমে তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অবস্থার উন্নতি না হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা শেষে গতকাল শুক্রবার বাদ আসর মরদেহ চুয়াডাঙ্গা রেলপাড়ার নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়। এসময় স্বজন ও পরিচিতজনেরা শেষবারের মতো তাকে দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন। স্বজনদের কান্নায় সেখানে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পরে বাদ এশা চুয়াডাঙ্গা রেললাইন সংলগ্ন জান্নাতুল বাকী মসজিদ ও কবরস্থানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরহুমকে তার প্রয়াত স্ত্রী আম্বিয়া খাতুন লতার কবরের পাশে দাফন করা হয়। জানাজা ও দোয়া পরিচালনা করেন জান্নাতুল বাকী কবরস্থান জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মো. হোসাইন।
সাজেদুর রহমান মল্লিক (সাজু মল্লিক) অ্যাডভোকেট আমানুর রহমান বিপলু ও মাহমুদুর রহমান শিপলুর পিতা। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, নাতি ওয়ায়েস আমান মালিক শৈবালসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ইয়াকুব হোসেন মালিক এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মনজুরুল আলম মালিক লার্জসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
