ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে আলমডাঙ্গা উপজেলা দল। গতকাল শনিবার বিকেল ৪টায় শুরু হওয়া এই জমকালো ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে দুই দলই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে মাঠ কাঁপিয়ে তুললেও কোনো দলই গোল করতে না পারায় ফাইনাল ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়। শেষ পর্যন্ত স্নায়ুচাপ ধরে রেখে বাজিমাত করে আলমডাঙ্গা উপজেলা।
খেলা শেষে এক বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মিনহাজুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন উপস্থিত দর্শক ও খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, "আজকের এই মাঠ ও উপচে পড়া দর্শক প্রমাণ করে চুয়াডাঙ্গার মানুষ ফুটবলকে কতটা ভালোবাসেন। খেলাধুলা কেবল শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটায় না, বরং যুবসমাজকে মাদক, স্মার্টফোনের অপব্যবহার ও সব ধরনের সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে একটি সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে।"
তিনি আরও বলেন, "টুর্নামেন্ট পরিচালনায় জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ উভয় দলই অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়েছে। আমাদের তরুণেরা এই মাঠ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চুয়াডাঙ্গার নাম উজ্জ্বল করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।"
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, গ্রাম-বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবল। এই ফুটবলকেই কেন্দ্র করে সোনালী অতীতে চুয়াডাঙ্গা ফুটবলের ইতিহাস বিস্তৃত হয়েছে বাংলাদেশের সীমানা পেরিয়ে ওপার বাংলায়। চুয়াডাঙ্গা থেকে বর্তমানে আর তেমন কোনো ভালো ফুটবলার তৈরি হচ্ছেনা। তাই চুয়াডাঙ্গার সেই হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চুয়াডাঙ্গার মাঠে-ঘাটে নিয়মিতভাবেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফুটবল টুর্নামেন্ট। আমি আশা করবো এই ধরনের টুর্নামেন্ট থেকেই একদিন চুয়াডাঙ্গা জেলা ফুটবল আবারও ফিরে পাবে তার অতীতে হারানো গৌরব। সমৃদ্ধ হবে চুয়াডাঙ্গার ফুটবল অঙ্গন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার টুর্নামেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং আগামীতেও চুয়াডাঙ্গার ক্রীড়াঙ্গনকে মুখরিত রাখতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য বিশেষ অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন আলমডাঙ্গা উপজেলা দল ও রানার্স-আপ চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা দলের খেলোয়াড়দের হাতে প্রাইজমানি ও ট্রফি তুলে দেন।
ফাইনাল খেলার ট্রফি উন্মোচন, মঞ্চে বসে জমকালো ফুটবল লড়াই উপভোগ করতে ও ন্যাশনাল ক্যাটাগরির মঞ্চে আহরণ করে ফাইনাল খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসকের স্বামী এ বি এম নাজিমউদ্দিন আহমেদ, দুই সন্তান রুহি ও রহিন, চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. হাদী উদ্দিন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান।
আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিএম তারিকুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. হুমায়ুন কবীর, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথি মিত্র, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার লাভলী ইয়াসমিন, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিনুর আক্তার, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের আরডিসি এসএম আসিফ মমতাজ, আলমডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মন্ডল, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এনডিসি আলাউদ্দিন আল আজাদ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহাদ চৌধুরী, আব্দুর রউফ শিবলু, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম বিলাস, চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব বিপুল হাসান হ্যাজী, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, চুয়াডাঙ্গা জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক সেলিমুল হাবিব সেলিম, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহেদ মোহাম্মদ রাজিব খান, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মহলদার, সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ইকরামুল হক, মাখালডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিয়ার রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হামিদ উদ্দিন বাবু, সদর থানা যুবদলের আহ্বায়ক মতিউর রহমান মিশর, সদর উপজেলা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জুয়েল মাহমুদ, আলমডাঙ্গা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মীর উজ্জ্বল, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ইমরান মহলদার রিন্টু, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাকন প্রমুখ।
সাবেক খেলোয়াড়দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহরিন হক মালিক, সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল হক জোয়ার্দ্দার রেজা, সাবেক কৃতি ফুটবলার মাহমুদুল হক লিটন, সারোয়ার হোসেন জোয়ার্দ্দার মধু, শেখ শরিফুল ইসলাম, নাজমুল হক শান্তি, সাবেক কৃতি গোলরক্ষক রবিউল ইসলাম মল্লিক, সাবেক কৃতি ফুটবলার মিজানুর রহমান মানিক, আইয়ুব হোসেন, টিপু সুলতান, বাবু মুন্সী, শহিদুল কদর জোয়ার্দ্দার, আলমডাঙ্গা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মামুনুর রশিদ মন্ডল, মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক, সোহাগ, মুরাদ ফেরদৌস, দামুড়হুদা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মাহবুর রহমান বাচ্চু, জীবননগর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব শাহাজাহান কবীর, ঝিনাইদহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ক্রীড়া সংগঠক আবদুল মতলু, চুয়াডাঙ্গা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আশাবুল হক আশা, দপ্তর সম্পাদক সোহেল আহমেদ মালিক সুজন, সাবেক ফুটবলার মিলন বিশ্বাস, ঢাকা ব্রাদারস ক্লাবের সাবেক অধিনায়ক তরিকুল ইসলাম তরু, সোহেল রানা, আহসান খান, সুমন প্রমুখ।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব বিপুল হাসান হ্যাজী ও জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহারের যৌথ উদ্যোগে চুয়াডাঙ্গার সাবেক ফুটবলারদেরকে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
মরণোত্তর সম্মাননা ক্রেস্ট প্রাপ্তরা হলেন: বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক প্রয়াত হায়দার আলী জোয়ার্দ্দার, প্রয়াত সাবেক ফুটবলার মোজাম্মেল হক, প্রয়াত সাবেক ফুটবলার নুরুজ্জামান, প্রয়াত সাবেক ফুটবলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ তোতা মিয়া, সাবেক ফুটবলার প্রয়াত আশরাফ জোয়ার্দ্দার সাবু।
আজীবন সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয় সাবেক কৃতি ফুটবলার মাহমুদুল হক লিটন ও কানাডা প্রবাসী কৃতি ফুটবলার মামুন জোয়ার্দ্দারকে।
এছাড়া জীবিত কৃতি ফুটবলারদের দেওয়া হয় সম্মাননা স্মারক। স্মারক ক্রেস্ট প্রাপ্ত সাবেক ফুটবলাররা হলেন, সাবেক ফুটবলার সরোয়ার হোসেন জোয়ার্দ্দার মধু, সাবেক ফুটবলার আবুল কালাম আজাদ, সাবেক কৃতি গোলরক্ষক রবিউল ইসলাম মল্লিক, সাবেক ফুটবলার শহিদুল ইসলাম কদর জোয়ার্দ্দার, সাবেক ফুটবলার শেখ শরিফুল ইসলাম, সাবেক ফুটবলার গিয়াস উদ্দিন পিনা, সাবেক ফুটবলার নাজমুল হক শান্তি, সাবেক কৃতি গোলরক্ষক খন্দকার আমিরুল ইসলাম বাবলু, সাবেক কৃতি গোলরক্ষক রিয়াসাদ শামীম জোয়ার্দ্দার আবির, সাবেক ফুটবলার মিজানুর রহমান মানিক ও সাবেক ফুটবলার রেজাউল হক জোয়ার্দ্দার রেজা।
ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয় চুয়াডাঙ্গা ডিএফএর সভাপতি একলাস উদ্দিন সুজন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কাজী মামুনুজ্জামান আদুন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সচিব ইমরান মহলদার রিন্টু, আলমডাঙ্গা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মামুন অর রশিদ মন্ডল, জীবননগর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব শাহাজাহান কবীর, দামুড়হুদা উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মাহবুব বাচ্চুকে। টুর্নামেন্টে বিশেষ অবদানের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সম্মাননা ক্রেস্ট উপহার দেওয়া হয় চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজীকে।
খেলোয়াড়দেরকে উৎসাহিত করার জন্য টুর্নামেন্টের শুরু থেকে ফাইনাল অবধি বিভিন্ন ক্রীড়ামোদী ব্যক্তি, ক্রীড়া সংগঠকরা ফুটবলারদেরকে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ফুটবলারদের জন্য আর্থিক পুরস্কারের ঘোষণা দেন। সে ঘোষণা অনুযায়ী টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে আর্থিক পুরস্কার দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্টের পুরস্কার দেন চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, তরুণ উদীয়মান খেলোয়াড়ের আর্থিক পুরস্কার দেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-সম্পাদক হামিদ উদ্দিন বাবু, সেরা স্ট্রাইকারের পুরস্কার দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার অহিদুল আলম মানি, তরুণ উদীয়মান দুজন খেলোয়াড়কে আর্থিক পুরস্কার দেন চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ও বিশিষ্ট আম ব্যবসায়ী আব্দুল কুদ্দুস মহলদার, টুর্নামেন্টের ৮ জন সেরা দর্শকের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রায়াত কৃতি ক্রিকেটার মাহফুজের পিতা চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি রাফিতুল্লাহ মহলদার, সেরা গোলরক্ষক ও সেরা ধারাভাষ্যকারের পুরস্কার প্রদান করেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুল হক।
টুর্নামেন্টের শুরু থেকে ফাইনাল অবধি প্রতিটি ম্যাচের ম্যান অব দ্য ম্যাচের আর্থিক পুরস্কার দিয়েছেন আলমডাঙ্গা মন্ডল স্পোর্টসের স্বত্বাধিকারী মামুন অর রশিদ মন্ডল, টুর্নামেন্টের নির্ধারিত সময়ের প্রথম গোলদাতার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেন চুয়াডাঙ্গা পৌর বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আল্লাহর দান হোটেলের স্বত্বাধিকারী রায়হান উদ্দিন। গ্র্যান্ড ফাইনালের প্রথম গোলদাতাকে পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দেন আনাস এগ্রোর স্বত্বাধিকারী রাসেল বিশ্বাস। এছাড়া উদীয়মান সেরা ডিফেন্ডার ও মিডফিল্ডারকে পুরস্কার দেন তুষন এগ্রোর স্বত্বাধিকারী মনোয়ারুল ইসলাম সুমন এবং ম্যান অব দ্য ফাইনালের আর্থিক পুরস্কার প্রদান চুয়াডাঙ্গা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব বিপুল হাসান হ্যাজী।
ফাইনাল ম্যাচটি পরিচালনা করেন প্রধান রেফারি সাজ্জাদ হোসেন, দুই সহকারী শফিকুন নবী রিয়ান, লিটা হোসেন, ইমাম হোসেন ও ম্যাচ কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন রেজাউল হক জোয়ার্দ্দার রেজা। খেলার ধারাবিবরণী করেন ইসলাম রকিব ও শামীম খান।
