দামুড়হুদার কুড়ুলগাছিতে পাটের ফলন কম হলেও

ভালো বাজারদরে কৃষকের মুখে হাসি

আপলোড তারিখঃ 2026-09-17 ইং
দামুড়হুদার কুড়ুলগাছিতে পাটের ফলন কম হলেও ছবির ক্যাপশন:

দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে পাটের ফলন কিছুটা কম হলেও ভালো বাজারদরে স্বস্তিতে রয়েছেন কৃষকেরা। বর্তমানে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে বিঘাপ্রতি ২৮ হাজার ৮০০ থেকে ৩৬ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন কৃষকেরা। তবে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রত্যাশিত লাভ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন চাষিরা।


স্থানীয় কৃষক মাহাতাব উদ্দিন বলেন, এ বছর তেল, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি পাটের নিড়ানি, কাটা, জাগ দেওয়া ও ধোয়ার কাজে শ্রমিকের মজুরিও বেড়েছে। সব মিলিয়ে প্রতি বিঘা জমিতে পাট উৎপাদনে প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এক বিঘা জমিতে এবার ৮ থেকে ১০ মণ পাট উৎপাদন হচ্ছে। প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৬০০ টাকা দরে বিক্রি করে বিঘাপ্রতি ২৮ হাজার ৮০০ থেকে ৩৬ হাজার টাকা পাওয়া যাচ্ছে।


উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মেহেদী হাসান বলেন, চলতি মৌসুমে কুড়ুলগাছি ইউনিয়নে পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৭০ হেক্টর। এর বিপরীতে প্রায় ৬৭০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে পাটের ভালো দাম পাওয়ায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আবাদ বেড়েছে বলে জানান তিনি।


কৃষকেরা জানান, পাটের ভালো দাম পাওয়ায় তারা কিছুটা লাভবান হচ্ছেন। তবে উৎপাদন খরচ কমানো এবং ফলন বাড়ানো সম্ভব হলে পাট চাষে কৃষকদের আগ্রহ আরও বাড়বে। তাদের দাবি, কৃষকেরা যাতে সহজে ও স্বল্প খরচে চাষাবাদ করতে পারেন, সে জন্য সরকারিভাবে পর্যাপ্ত সার, জ্বালানি তেলসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের কৃষি উপকরণের সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)