ছবির ক্যাপশন:
‘আমাদের এখানে একটি উগ্রবাদী সমাজ আছে। যারা মানুষের সব কিছুর মধ্যে ত্রুটি ধরে। কিন্তু এই উগ্রবাদী সমাজ টিকবে না, কারণ এ দেশের মানুষ প্রকৃতভাবেই প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক। বাংলাদেশের সমাজের গভীরে যে অসাম্প্রদায়িকতা রয়েছে, তাকে তো জোর করে মুছে দেওয়া যাবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চোধুরী।
গতকাল রোববার সকাল ১০টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা ও দপ্তর প্রধানদের সাথে মতবিনিময়ে এ কথা বলেন তিনি। সভায় বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলে আলোকপাত করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী। এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিখাতে বিভিন্ন অনিয়ম রুখতে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘চুয়াডাঙ্গা আমার কাছে নতুন কিছু না। কারণ আমরা এখানে বারবার এসেছি, মিটিং, সমাবেশ-সম্মেলন করেছি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী যখন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন, তখন আমরা থেকেছি সব মিলিয়ে চুয়াডাঙ্গা আমাদের কাছে নতুন কোনো জায়গা না। আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রী পরিষদের উপদেষ্টা, এদেরকে বিভিন্ন জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যাতে সার্বিক বিষয়গুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য। প্রথম কথা হলো- গত ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে। এই নির্বাচনে সকল দলের একটি নির্দিষ্ট ইশতেহার ছিল। বিএনপিও তাদের এই ইশতেহার জনগণের সামনে তুলে ধরে।’
তিনি আরও বলেন, একটি দেশে অন্ধকার যুগ কখনো দীর্ঘস্থায়ী হয়, কখনো ক্ষণস্থায়ী হয়। আমরা একটি অন্ধকার যুগ পেরিয়ে এসেছি। আমাদের এই দেশ খাদ্য রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হবে, সেই সম্ভাবনা আমাদের আছে। সেই সম্ভাবনা নিয়ে আপনারা কাজ করেন। অর্থনৈতিক পরিবর্তনসহ জীবন ব্যবস্থার পরিবর্তন হবে। এখন নতুন করে আমাদের দেশটি গড়তে হবে।
মন্ত্রী বলেন, হতাশার কোনো কারণ নেই। এই যে মাদকদ্রব্য বিস্তার হচ্ছে, আমদানি হচ্ছে, অপরাধ প্রবণতা, নারী-শিশুর আত্মহত্যা বৃদ্ধি পাওয়াসহ নানা ধরণের সমস্যা রয়েছে। কিন্তু এটা থাকবে না। সব সমস্যার মূল হলো অর্থনৈতিক সমস্যা। একটি সময়ের একটি সুনির্দিষ্ট সমাজের ধ্যান-ধারণা, মূল্যবোধ, আচরণ, মানুষিকতা এবং মানুষের পথ কেমন হবে, তা অর্থনীতি নির্ধারণ করে। অতএব অর্থনীতিতে যদি পরিবর্তন আনা যায়, তাহলে এই প্রবণতাগুলো কমে যাবে। আমাদের সরকার এই বিষয়ে সচেতন।
তিনি বলেন, আমাদের কৃষক বিনামূল্যে পানি, স্বল্প মূল্যে সার এবং ফসলের ন্যায্য মূল্য চায়। আমরা বর্ষাকালের জল যদি বেঁধে ফেলতে পারি, নদীগুলো খনন করে দুই পাশে কপার সিস্টেম করে ধরে রাখতে পারি এবং খাল খনন করে যদি বিলে-বিলে পানি দিতে পারি তখন কৃষকেরা বিনামূল্যে পানি পেয়ে যাবে।
নারী আত্মহত্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারীর আত্মহত্যার কারণ যদি হয় সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা। এই সমাজের অর্ধেকই নারী কিন্তু সমাজ ব্যবস্থার কারণে মূল নেতৃত্ব পুরুষের এবং শিক্ষিত হোক কিংবা অশিক্ষিত নারীরা যেন দাসীর মতো থাকে। অতএব এই সমাজের মূল্যবোধ হলো স্বামীর পদতলে স্ত্রী। আমাদের সরকার নারীদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড করেছে। প্রত্যেক পরিবারের গৃহিনীর জন্য এই কার্ড থাবে, প্রত্যেক মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের টাকা তারা পাবে এবং প্রয়োজনে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারবে। একটি সমাজ কতটা অগ্রগামী, আধুনিক, প্রগতিশীল তা ওই সমাজের নারীদের অবস্থান দেখে বোঝা যায়।
গ্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়নে মন্ত্রী বলেন, আমরা একটি নতুন পরিবর্তনের চেষ্টা করছি। আমরা গ্রাম থেকে শুরু করেছি সেখানে আমাদের জনসংখ্যার ৯৫ শতাংশের বসবাস এবং প্রায় সবাই কৃষি নির্ভর। এই শ্রেণীর মানুষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কুঁটির শিল্প, তাঁতের শাড়ী, নকশী কাঁথা এগুলোকেও আমরা সমর্থন করে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
তিনি বলেন, আমরা সুস্থ সংস্কৃতির ধারা আনতে চায়, যা জীবনমুখী ও সংগ্রামমুখী যা জীবনের কথা বলে। আমরা আমাদের পুরাতন সকল ঐতিহ্য যেমন- নৌকা বাইচ, হাডুডু, জীবনমূখী যাত্রাশিল্পসহ জারি-সারি, হাসন রাজার গান, লালন শাহে গানসহ সব ধরণের ঐতিহ্য মিলেমিশে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এখন দেশে সংকট আছে, সার ঠিক মতো বণ্টন হচ্ছে না। কিন্তু সব কৃষক কার্ড ইস্যু হয়ে যাওয়ার পর কার্ডের ডেটা অনুযায়ী বণ্টন হবে তখন এই সার সংকট আর থাকবে না।
অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন প্রসঙ্গে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় সরকারের তরফ থেকে কঠিন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংসদে যুগান্তকারী বক্তব্য রেখেছেন। আমি নিজেও বাঁধনের সাথে কথা বলেছি। তার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার ন্যায়বিচার হবে। দেশে এবং দেশের বাইরে শিল্পীদের সাথে হেনস্তার ঘটনায় সরকার কখনো দায় এড়াতে চায়নি।
সভায় প্রথমে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দের পরিচয় পর্ব শেষে। গত মাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিবরণ পাঠ করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) এ.বি.এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার। এসময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত মহিলা-৫ আসনের সংসদ সদস্য নেওয়াজ হালিমা আরলী বলেন, আজকের আলোচনায় যতগুলো বিষয় এসেছে, তন্মধ্যে মাদকের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সমাজের বাঁচ্চাদের মাদকাসক্তির প্রথম ধাপ শুরু হয় তামাকজাত দ্রব্য দিয়ে। তাই প্রাথমিকভাবে স্কুলগুলোতে সচেতনতামূলক কর্মসূচি রাখা হলে এ রাস্তা থেকে বাচ্চাদের বের করে আনা সম্ভব। তিনি বলেন, এখানে যৌতুক প্রথা, নারী নির্যাতন ইত্যাদির প্রবণতা বেশি। তাই এ বিষয়গুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আপনাদের সর্বপ্রথম প্রায়োরিটি প্রসেসটি ঠিক করতে হবে। আমাদের রাস্তাঘাটের অবস্থা খারাপ, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যা রয়েছে। এ ছাড়া নানা ধরনের সমস্যা রয়েছে। এমনকি বেশিরভাগ অপরাধ রাতেই সংঘটিত হয়। সারের বিষয়ে যে আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে সরকার অধিক সচেতন। গরিব কৃষকের প্রতি যে সহানুভূতি, তা মাথায় রেখেই সরকার বিভিন্ন কার্ড চালু করেছে। সারের ঘাটতি যেহেতু নেই, তাই এর বণ্টন যেন সঠিকভাবে হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। তিনি বলেন, আমরা সবাই যদি কম পরিশ্রমে নিজেদের জায়গায় সৎ থাকি, তবে বাকি পথ চলা খুবই সহজ হবে।
চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ‘আজ এখানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং অন্যান্য অফিসের কর্মকর্তাদের যেসব শূন্য পদ রয়েছে এবং যেখানে যেসব লোকবল রয়েছে, সেগুলো আপনারা লিখে আমাদের জানাবেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা, মন্ত্রী মহোদয় এবং আমাদের সংযুক্ত মহিলা এমপির মাধ্যমে অতি দ্রুত চুয়াডাঙ্গা জেলার সরকারি সব অফিস এবং এ জেলার মানুষের উন্নয়নের জন্য সব কার্যক্রম অব্যাহত রাখব। একই সঙ্গে শিক্ষা ও মৎস্য খাত এবং হাসপাতালে ডাক্তার বা অন্যান্য কর্মচারীদের যে শূন্যতা রয়েছে, সেগুলোও পূরণের চেষ্টা করব।’
তিনি অনুরোধ করে বলেন, ‘আপনারা এসব কর্মকাণ্ডে আমাদের সহযোগিতা করবেন। গ্যাপগুলো জানালে আমাদের স্থানীয় এমপি ও কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সেগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করব। আমরা সবাই একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব।’
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান বলেন, এ জেলায় অত্যন্ত চমৎকার একটি প্রশাসনিক সমন্বয় রয়েছে। আমাদের কোনো সমস্যা হলে আমরা পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সবাই মিলে যৌথভাবে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সহযোগিতা নিয়ে থাকি। তিনি আরও বলেন, চুয়াডাঙ্গা একটি সীমান্তবর্তী জেলা। একটি সীমান্তবর্তী জেলা সাধারণ জেলা থেকে একটু জটিল হয়। এর মধ্যে চোরাচালান ও মাদক একটি বিরাট জায়গা দখল করে আছে। এর বিরুদ্ধে আমরা সবাই মিলে কাজ করছি। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে থাকি।
চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সময়ের সমীকরণের প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন বলেন, সীমান্ত অঞ্চলে বড় ফসলের আবাদ বন্ধ করতে হবে। সেসব অঞ্চলে আখ, পাট, ভুট্টা- এ ধরনের ফসল যেন আবাদ করা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলে বেশ বহুদিন ধরেই মাদকের চোরাকারবারি হয়ে আসছে। অনেকে মনে করেন, মাদক কারবারি কোনো অপরাধ নয় এবং এটিকে ব্যবসা বলে মনে করেন। এটি আমাদের মাদক আমদানি রোধে অন্যতম বড় সমস্যা।
তিনি বলেন, আমাদের পুলিশ কর্মকর্তাদের আধুনিক সরঞ্জাম ও যানবাহন নেই। যার ফলে তারা সময়মতো টহল বা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেন না। তাই আমাদের পুলিশ কর্মকর্তাদের লজিস্টিক সাপোর্ট ভালো করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের সরকারি হাসপাতাল থেকে জেলার মোট জনসংখ্যার ৬৫ শতাংশ মানুষ চিকিৎসা নেয়। এর মধ্যে ৬৫ শতাংশই নিম্নবিত্তের মানুষ। সেক্ষেত্রে আমাদের হাসপাতালে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ পর্যন্ত নেই। এ ছাড়া আমাদের হাসপাতালটি ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হওয়া সত্ত্বেও মাত্র ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হয়ে রয়েছে। তাই এ বিষয়টি দেখবেন।
তিনি বলেন, আমাদের অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস কীভাবে পরিপূর্ণভাবে চালু করা যায়, সেটা দেখবেন। ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো যদি চালু করা যায়, সেদিকে লক্ষ্য করবেন। রেলের বিষয়ে প্রেসক্লাব সভাপতি বলেন, ‘আমাদের জেলায় উপযুক্ত চিকিৎসক না থাকার কারণে রাজশাহীতে অসংখ্য রোগী যায়। এখান থেকে সকাল ৯টায় একটি ট্রেন ছাড়ে, যা পরে দুপুর ১টায় ফিরে আসে। চিকিৎসার জন্য যারা যান, তারা স্বল্প সময়ে তাদের চিকিৎসার কাজ সম্পন্ন করতে পারেন না। সে জন্য এখানে একটি ট্রেনের প্রয়োজন, যা দর্শনা থেকে ছাড়বে। এটি এ জেলার মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকার হবে।’
কৃষির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের জেলায় সারের ব্যবস্থাপনা সঠিক হচ্ছে না। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এক বিঘা জমিতে ইউরিয়া লাগে ১৫ কেজি। কিন্তু চাষি সেখানে ২৫ কেজি সার নিচ্ছেন। কৃষি অফিসের ওপর কৃষকের ভরসা নেই। তাই কৃষকের চাষের জমিতে কৃষি বিভাগ একটি প্রদর্শনী প্লট করুক, যেখানে তাদের নির্ধারিত সারের ডোজ দিয়ে আবাদ করা হবে এবং তারা সারের পরিমাণ বুঝতে পারবেন। ফলাফল পজেটিভ হলে কৃষকও ভরসা পাবে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল নাজমুল হাসান, এনএসআই যুগ্ম পরিচালক সামসুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুর রশীদ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র, সিভিল সার্জন ডা. হাদী জিয়া উদ্দীন আহমেদ, চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মারুফ সরোয়ার বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তিথি মিত্র, আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনুর আক্তার, দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন, জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা এ্যানি, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আলাউদ্দিন আল আজাদ, সহকারী কমিশনার ফাহাদ চৌধুরী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সাহাবুদ্দিন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফরহাদুর রেজা, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান, জেলা তথ্য অফিসার শিল্পী মন্ডল, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম পিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দপ্তরের দপ্তর প্রধান ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ ও জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
