ছবির ক্যাপশন:
রাজধানীর গুলশানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের বিতর্কিত বিক্ষোভ মিছিলের নেপথ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গোপন বোঝাপড়া বা আঁতাত থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের অনুকূল অবস্থান ও গোপন যোগাযোগের সুযোগ নিয়েই ঝটিকা মিছিলের মতো সাহস দেখাচ্ছে রাজপথ থেকে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদের দোসররা।
গতকাল শনিবার সকালে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের তিন মাসব্যাপী বিশেষ সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এবং পরবর্তী র্যালি শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ঐতিহাসিক রাজনৈতিক চালচিত্র স্মরণ করিয়ে দিয়ে রাশেদ খান বলেন, "জামায়াতে ইসলামীর এই দ্বিচারিতা নতুন কিছু নয়। ১৯৯৬ সালেও তারা একই কায়দায় আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে অস্থিতিশীলতা তৈরি করেছিল। আর এবারও জামায়াতের রহস্যজনক নমনীয় আচরণের সুযোগ নিয়েই নির্যাতক আওয়ামী লীগ নতুন করে রাজপথে নামার সাহস সঞ্চয় করছে।"
জামায়াত নেতাদের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্ব বলছেন, আওয়ামী লীগ পুনরায় রাজনীতিতে ফিরলে নাকি তাঁদের কোনো আপত্তি নেই! কিন্তু আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চাইÑবিগত ১৫ বছরের দুঃশাসন, গণহত্যা ও স্বৈরাচারের চিহ্ন বহনকারী আওয়ামী লীগকে দেশের সাধারণ জনগণ আর কোনো দিন রাজনীতিতে মেনে নেবে না।"
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন আয়োজিত ডেঙ্গু দূরীকরণে তিন মাসব্যাপী জনসচেতনতামূলক র্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। কর্মসূচিতে রাশেদ খানের সঙ্গে জেলা পর্যায়ের শীর্ষস্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী অংশ নেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ, সহ-সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, দোকান মালিক সমিতির সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাসসহ জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ।
