দর্শনা কামারপাড়ার খবির উদ্দীন আটক

ভারতের নদীয়া সীমান্তে ৮৯টি সোনার বিস্কুটসহ

আপলোড তারিখঃ 2026-09-07 ইং
দর্শনা কামারপাড়ার খবির উদ্দীন আটক ছবির ক্যাপশন:

ভারতের নদীয়া জেলার হালদারপাড়া সীমান্ত এলাকায় ৮৯টি সোনার বিস্কুটসহ এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। উদ্ধার হওয়া এসব স্বর্ণের ওজন ১১ কেজি ২৮১ দশমিক ৭৭০ গ্রাম। বিএসএফের হিসাবে, স্বর্ণের আনুমানিক মূল্য ১৭ কোটি ৪০ লাখ ২১ হাজার ৩০২ ভারতীয় রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।


গত শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিএসএফের ৩২ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার হালদারপাড়া বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটক বাংলাদেশি নাগরিকের কাছ থেকে ৮৯টি সোনার বিস্কুট উদ্ধার করা হয়। পরে পরীক্ষায় এসব বিস্কুট ২৪ ক্যারেটের স্বর্ণ বলে নিশ্চিত করা হয়।


এদিকে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন, আটক ব্যক্তি চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তবর্তী কামারপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ এছানের ছেলে খবির উদ্দীন। স্থানীয়দের দাবি, খবিরের সঙ্গে একই গ্রামের মোহাম্মদ কাদেরের ছেলে শাহীন, কলম আলীর ছেলে শান্ত ও হাফিজুলের ছেলে আরিফুলও সীমান্ত এলাকায় গিয়েছিলেন।


গ্রামবাসীর ভাষ্য, সীমান্ত অতিক্রম করে খবির ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশের পর বিএসএফের হাতে আটক হন। এসময় তার সঙ্গে থাকা অপর তিনজন বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তবে খবিরের সঙ্গে ওই তিনজনের সীমান্ত এলাকায় যাওয়ার বিষয়টি, স্বর্ণ পাচারের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা কিংবা তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে এসেছেন কি না- এসব তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো আনুষ্ঠানিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।


খবির উদ্দীনের স্ত্রী জানান, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না এবং অসুস্থ ছিলেন। তাই তার স্বামী কোথায় গিয়েছিলেন বা কীভাবে সীমান্ত এলাকায় পৌঁছেছিলেন, সে বিষয়ে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না। তিনি দাবি করেন, তার স্বামী দিনমজুরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। স্বর্ণ পাচার বা অন্য কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তার স্বামী জড়িত কি না, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।


খবিরের স্ত্রী আরও জানান, বিজিবির সদস্যরা বাড়িতে গিয়ে তাকে তার স্বামী ভারতে সীমান্ত অতিক্রম করে আটক হওয়ার বিষয়টি জানান। এর আগে তিনি বা পরিবারের অন্য সদস্যরা এ বিষয়ে কিছু জানতেন না।


এ ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় আলোচনা শুরু হয়েছে। বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় এসব স্বর্ণ কোথা থেকে এসেছে, কার কাছে পৌঁছানোর কথা ছিল এবং এর পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ পাচারচক্র রয়েছে কি না- তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে, স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী খবিরের সঙ্গে আরও তিনজন সীমান্ত এলাকায় গিয়েছিলেন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে যাচাই করবে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।


চুয়াডাঙ্গা ব্যাটালিয়ন (৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি বিএসএফের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিএসএফের কাছ থেকে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণসহ আটকের তথ্য পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, ‘ওপারে কামারপাড়া গ্রামের একজন ব্যক্তি স্বর্ণসহ বিএসএফের হাতে আটক হয়েছেন- এটুকু জানতে পেরেছি।’

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)