ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়ীয়া ইউনিয়নের পাগলা পাড়ায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিনুর আক্তারের হস্তক্ষেপে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসন এ উদ্যোগ নেয়।
জানা গেছে, পাগলা পাড়ার বাসিন্দা মুকুল হোসেনের ছোট মেয়ে জান্নাতুল মুকুল লিজা ভাংবাড়ীয়া দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। অপ্রাপ্তবয়স্ক এই ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করা হচ্ছে- এমন খবর পেয়ে বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে। পরে ইউএনও শাহিনুর আক্তারের নির্দেশে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। তিনি কিশোরীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক ও এর আইনগত বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
আলোচনার পর পরিবারের সদস্যরা বিয়ের আয়োজন স্থগিত করতে সম্মত হন। একই সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে মেয়েটির বিয়ে দেওয়া হবে না- এ মর্মে পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে বন্ধ হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।
তারা বলেন, বাল্যবিয়ে একটি কিশোরীর পড়াশোনা, স্বাভাবিক বিকাশ ও ভবিষ্যৎ জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে প্রশাসনের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজের সচেতন ব্যক্তিদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
