ছবির ক্যাপশন:
জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া বাজারের তরুণ হোটেল ব্যবসায়ী রাশেদ (৩৬) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার মৃত্যুতে আন্দুলবাড়ীয়া বাজারসহ গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আন্দুলবাড়ীয়া বাজারে নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হোটেলে কর্মরত অবস্থায় হঠাৎ বুকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন রাশেদ। পরে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে রাশেদ স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে, দুই ভাই, এক বোনসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
রাশেদ আন্দুলবাড়ীয়া বাজার কমিটির সাবেক সহসভাপতি ছিলেন। তিনি আন্দুলবাড়ীয়া বাজারের পরিচিত খাবারের দোকান ‘বিখ্যাত মিণ্টু চপ’-এর স্বত্বাধিকারী ও আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের পশ্চিম বাজারপাড়ার মৃত মোহাম্মদ আলী মিণ্টুর বড় ছেলে। গতকাল মঙ্গলবার আসর নামাজের পর আন্দুলবাড়ীয়া পীরে কামেল হযরত খাজা পারেশ সাহেবের দরগা, কেন্দ্রীয় কবরস্থান ও ঈদগাহ ময়দানে রাশেদের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজার আগে রাশেদের স্মৃতিচারণ করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিয়ার রহমান এবং পরিবারের পক্ষ থেকে আলীপুর কাশেম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মরহুমের ফুফাতো জামাই সানোয়ার হোসেন।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ শফিকুল ইসলাম মোক্তার, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিম খান, জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি সাইদুর রহমান বাবু, আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মোল্লা মো. হাসিবুল হোসেন (শান্ত)সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জানাজায় ইমামতি করেন আন্দুলবাড়ীয়া পুরাতন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ও ইমাম হযরত মাওলানা তরিকুল ইসলাম। রাশেদের সহোদর রাসেল পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
রাশেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন খান (খোকন), আন্দুলবাড়ীয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম মামুনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
