ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা বধ্যভূমিতে মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত এক নারীর আর্তনাদের প্রতিকৃতিকে অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। ওই প্রতিকৃতির মুখে বিভিন্ন বস্তু গুঁজে দেওয়া এবং মাথার চারপাশে ঘাস-লতা সাজিয়ে সেটিকে হাস্যকরভাবে উপস্থাপনের পাশাপাশি পুরো ঘটনাটি ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে ফেসবুক পেজে গান সংযুক্ত করে ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই এটিকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি, শহিদ ও নির্যাতিত মানুষের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অসম্মান এবং জাতীয় চেতনার অবমাননা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, যে বধ্যভূমিতে মানুষ শহিদদের স্মরণ করে শ্রদ্ধা জানাতে আসে, সেই পবিত্র স্থানে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে উপহাস বা অবমাননামূলক কর্মকাণ্ড জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ভিডিওতে দেখা যাওয়া দুই যুবকের বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার বাজিতপুর গ্রামে। তাদের একজন বাপ্পার ছেলে তাসমির (১৮), এবং অপরজন উজ্জ্বলের শাওন (১৮)।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ও বধ্যভূমি কেবল একটি স্থাপনা নয়; এটি জাতির আত্মত্যাগ, বেদনা ও গৌরবের প্রতীক। এ ধরনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল
