ছবির ক্যাপশন:
দর্শনার সুপরিচিত ও সবার প্রিয় মুখ জসিম উদ্দিন শাহ বকুল আর নেই। হাস্যোজ্জ্বল, মিশুক স্বভাব ও ব্যতিক্রমী মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর কারণে তিনি এলাকায় ‘বকুল’ নামে ব্যাপক পরিচিত ছিলেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে দর্শনাসহ আশপাশের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জানা গেছে, বকুল লোকনাথপুর গ্রামের হাউলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াদুদ শাহের কনিষ্ঠ ছেলে। তিনি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী শাহ ও হাউলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলীর ছোট ভাই। দুই বোন ও ছয় ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তিনি এক সন্তানের জনক। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত দর্শনা পুরাতন বাজারের তরফদার ক্লিনিকে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়। মাগরিবের নামাজের পর কেরু বাজার মাঠে প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হাজারো মানুষ অংশ নেন। পরে নিজ গ্রাম লোকনাথপুর ফুটবল মাঠে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ শেষে রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মা ও অন্যান্য স্বজনের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজায় চুয়াডাঙ্গাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অসংখ্য শুভাকাক্সক্ষী, স্বজন ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, জেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম বিলু, জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম তরফদার সাবু, দর্শনা পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী খন্দকার শওকত আলী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নাহারুল ইসলাম মাস্টার, পৌর বিএনপির সমন্বয় কমিটির অন্যতম সমন্বয়ক মাহবুবুল ইসলাম খোকন, শরিফ উদ্দিন, ইকবাল হোসেন, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক ফারুক হোসেন, সদস্যসচিব জালাল উদ্দিন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান মাস্টার, সদস্যসচিব রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, দর্শনা থানা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রিয়েল ইসলাম লিওন এবং দর্শনা ডিএস ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ছাত্রদলের সভাপতি খন্দকার সাহাব উদ্দিনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
