ছবির ক্যাপশন:
দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সাবেক কর্মচারী ও সামাজিক সংগঠন দর্শনা ভোরের সাথীর সদস্য আব্দুর রউফ মুন্সী আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। গত রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। গতকাল সোমবার যোহরের নামাজের পর দর্শনা পৌরসভা ভবনের নিচতলায় তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দর্শনা মোবারকপাড়া কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আব্দুর রউফ মুন্সী কেরু চিনিকলের উৎপাদন বিভাগে কর্মরত ছিলেন এবং সেখান থেকে অবসর গ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে, চার মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাক্সক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর জানাজায় কেরু অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) ওমর আল ফারুক মির্জা গালিবসহ কেরু চিনিকলের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ‘দর্শনা ভোরের সাথী’র সদস্য এবং এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন, বড়শলুয়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা খালিদ হোসেন, দর্শনা সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি হারুন-অর-রশিদ, সাবেক সেনাসদস্য নাজমুল হুদা, আনোয়ার হোসেন, ‘ভোরের সাথী’র সদস্য আব্দুল মজিদ, আলাউদ্দিন, সাইদুর রহমান ডিটু, ব্যবসায়ী সোহেলসহ অনেকে।
মরহুমকে স্মরণ করে দর্শনা সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি হারুন-অর-রশিদ বলেন, তিনি ছিলেন একজন প্রাণবন্ত, হাস্যোজ্জ্বল ও অত্যন্ত ভালো মনের মানুষ। তাঁর মাধ্যমে কেউ কষ্ট পেয়েছেনÑএমনটি আমার জানা নেই। সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, শৈলেন কুমার শান্তরা ও সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘হাজী আব্দুর রউফ মুন্সী ছিলেন সবার প্রিয় একজন মানুষ। তিনি সব সময় মানুষকে হাসিখুশি রাখতে চেষ্টা করতেন। তাঁর মৃত্যুতে আমরা একজন সজ্জন ও মানবিক ব্যক্তিত্বকে হারালাম।’
