ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক কারবারি ও মোটরচোরসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ছয়টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও একটি চোরাই মোটর উদ্ধার করা হয়েছে। গত রোববার রাত থেকে গতকাল সোমবার দুপুর পর্যন্ত পাঁচকমলাপুর পুলিশ ক্যাম্প ও আলমডাঙ্গা থানা-পুলিশের পৃথক টিম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন- আলুকদিয়া আনসার ক্যাম্প এলাকার সাইদুর হোসেনের ছেলে ফাহিম রহমান আরাফাত (২১), দৌলতদিয়াড় দক্ষিণপাড়ার ফকির চাঁদের ছেলে ইয়ানুর (২৫), আলমডাঙ্গা স্টেশনপাড়া সুইপার কলোনির মৃত মনুয়ার ছেলে শ্রী কাল্লু (২৮), কুমারী গাংপাড়ার রফিকুল ইসলামের ছেলে হাসান (২০) এবং গোবিন্দপুর মিয়াপাড়ার লিটন মিয়ার ছেলে জিসান মিয়া (১৯)।
পুলিশ জানায়, পাঁচকমলাপুর পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মো. ইমরান হাসান বটিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফাহিম রহমান আরাফাত ও ইয়ানুরকে একটি চোরাই মোটরসহ গ্রেফতার করেন। একই সময়ে আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের এসআই আমিনুল ইসলাম রেলস্টেশনসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে শ্রী কাল্লুর কাছ থেকে দুটি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করেন।
এছাড়া এসআই মো. তাইজুল ইসলাম গোবিন্দপুর মাঠপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাসানের কাছ থেকে দুটি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং এসএম নিয়ামুল হক গোবিন্দপুর মিয়াপাড়ায় অভিযান চালিয়ে জিসান মিয়ার কাছ থেকে দুটি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করে তাদের গ্রেপ্তার করেন।
গতকাল সোমবার গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট প্রথম আদালতে হাজির করা হলে আদালত পৃথক ধারায় সাজা প্রদান করেন। আদালত ফাহিম রহমান আরাফাত ও ইয়ানুরকে দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় চার মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড, ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
এছাড়া শ্রী কাল্লু, হাসান ও জিসান মিয়াকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে শ্রী কাল্লুকে এক হাজার টাকা এবং হাসান ও জিসান মিয়াকে ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি বনি ইসরাইল বলেন, মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।
