বেঁচে থাকার লড়াইয়ে চট্টগ্রামবাসী

চারদিকে পানি আর পানি, সেনা বাহিনীর উদ্ধার অভিযান শুরু

আপলোড তারিখঃ 2026-07-12 ইং
বেঁচে থাকার লড়াইয়ে চট্টগ্রামবাসী ছবির ক্যাপশন:

► ৬২৯টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে
► অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি
► সাত উপজেলার শত শত গ্রাম প্লাবিত


চট্টগ্রামটানা চার দিন পর থামল বৃষ্টি। কিন্তু থামেনি পাহাড়ি ঢল আর বঙ্গোপসাগরের উত্তাল জোয়ার। দুইয়ে মিলে এখন চট্টগ্রাম শহর ও বিভিন্ন উপজেলার শত শত গ্রাম প্লাবিত। পানিবন্দি গ্রামের কয়েক লাখ মানুষ। যারা এখন পানির সঙ্গে বেঁচে থাকার লড়াই করছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলায় পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এসব উপজেলার প্রতিটি গ্রাম কোমর থেকে গলা সমান পানিতে তলিয়ে গেছে। ডুবে গেছে ফসলি জমি, মাছের ঘের, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক।পাহাড়ি ঢলে ভেসে গেছে বসতবাড়ির আসবাবপত্র, ধান-চাল ও গবাদিপশু। ফলে দেখা দিয়েছে খাদ্য সংকট। 


বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে অনেক এলাকায় মানবিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি জানান, পাহাড়ি ঢল আর সাগরের জোয়ারের পানিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় জেলার অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পাহাড় ধস ও পানিতে ভেসে এ পর্যন্ত ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্গতদের জন্য ৬২৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।ভয়াবহ পরিস্থিতি সাতকানিয়ায়জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এখন সবচেয়ে নাজুক অবস্থা সাতকানিয়া উপজেলায়। টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উপজেলার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ডলু খালের বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ জনপদ পানির নিচে চলে গেছে। দুই লাখেরও বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে।


চট্টগ্রাম অফিসটানা চার দিনের প্রবল বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং সাগরের উত্তাল জোয়ারের সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত চট্টগ্রাম। জেলার ১৬টি উপজেলা ও মহানগরের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে সাত লাখ ৫৪ হাজার ৫৯০ মানুষ। দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে শনিবার সকাল থেকে উদ্ধার অভিযানে নেমেছে বাংলাদেশ সেনা বাহিনী। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে স্পিড বোট ও নৌকা ব্যবহার করে বিশেষ করে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে।


মাঠে সেনা, কোস্ট গার্ড, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীরা বন্যা-কবলিত সাতকানিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়িতে বাংলাদেশ সেনা ঘণ্টায় ঘণ্টায় নদ-নদীর পানি বাড়ছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরো অবনতি হচ্ছে। নিম্ন অঞ্চলের বসতবাড়ি, দোকানপাট, কৃষি জমি ও গ্রামীণ সড়ক তলিয়ে গেছে। রত্নাঘরে পানি ঢুকে পড়ায় বহু পরিবার কয়েকদিন ধরে রান্না করতে পারছে না। কেউ শুকনো খাবার খেয়ে দিন পার করছে, আবার কেউ প্রতিবেশীর উচু বাড়িতে আশ্রয় নিয়ে রান্না করছে।
নলকূপ ডুবে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সংকট। পানিতে সাপসহ বিষাক্ত প্রাণী চলে আসায় রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে অনেক পরিবার। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের হাসমতের দোকান এলাকায় সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কের বুড়ির দোকান বৃজ এলাকায় প্রবল স্রোতে পানি ওঠায় বান্দরবানের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।


সাতকানিয়ার ইউএনও খোন্দকার মাহমুদুল হাসান বলেন, 'দুর্গত মানুষের জন্য ৮৯টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুম ২৪ ঘণ্টা চালু রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়।


চন্দনাইশের চার দিকে পানি আর পানি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বড়পড়া এলাকায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ওপর দিয়ে তীব্র বেগে পানির স্রোত বইছে। এতে পুরো অঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে এবং মহাসড়কে যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত
এলাকাবাসীর অভিযোগ, পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকা এবং ড্রেনগুলো ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণেই সামান্য বৃষ্টিতেই মহাসড়কসহ পুরো এলাকা এভাবে প্লাবিত হচ্ছে। দ্রুত এই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা না হলে পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ আরো চরমে পৌঁছবে।


চন্দনাইশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুর রহমান বলেন, 'পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং বন্যা কবলিত এলাকার মানুষের সহায়তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।'


পানিবন্দি আনোয়ারার অর্ধ শতাধিক গ্রাম টানা কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে চট্টগ্রামের উপকুলীয় আনোয়ারার বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। জলাবদ্ধতায় অর্থ শতাধিক গ্রামের হাজারো মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। অনেক পরিবারের ঘরে পানি ঢুকে পড়ায় স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থাও বিঘ্নিত ও পানিবন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার


উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব গহিরা, রায়পুর, সরেঙ্গা, বৈরাগ, বারখাইন, পরৈকোড়া ও বটতলী ইউনিয়নসহ উপজেলার অন্তত অর্ধ শতাধিক গ্রাম জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। এসব এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫৯টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে এক হাজার প্যাকেট ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে।
ইউএনও মো মহিন উদ্দিন বলেন, পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে। আমরা চাই, আনোয়ারার কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষ যেন অনাহারে না থাকে। যেসব এলাকায় প্রয়োজন রয়েছে, সেখানে ধারাবাহিকভাবে ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হবে। পাশাপাশি আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতেও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।


হাটহাজারীতেও পানিবন্দি অনেক মানুষ পাহাড়ি ঢল ও সাগরের উত্তাল জোয়ারে হাটহাজারী উপজেলার চিকনদন্ডী, গড়দুয়ারা উত্তর ও দক্ষিণ মাদার্শা শিকারপুর, বুড়িশ্চর, ছিপাতলী, ফতেপুর, মির্জাপুরসহ পৌরসভার নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। জলাবন্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে ওইসব এলাকায় বসবাসকারীরা।


রাউজানেও পানিবন্দি কয়েক হাজার পরিবার চট্টগ্রামের রাউজানেও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে প্লাবিত হওয়া এলাকাসমূহে পানিবন্দি দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছে কয়েক হাজার পরিবার। গত কয়েকদিন ধরে রাউজানের ডাবুয়া, চিকদাইর, নোয়াজিষপুর, হলদিয়া, গহিরা, বিনাজুরী, পশ্চিম গুজরা, পূর্বগুজরা, রাউজান সদর ইউনিয়ন, কদলপুর, পাহাড়তলী, বাগোয়ান, নোয়াপাড়া, উরকিরচর, পৌর এলাকার সুলতানপুর, ছিটিয়াপাড়া, নন্দীপাড়া, জানালিহাট, কাজীপাড়া, শরীফপাড়া বেরুলিয়া, ফকিরহাট বাজার, মুন্সিরঘাটা ও কুন্ডেশ্বরীসহ বিভিন্ন এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি প্রকট আকার ধারণ করেছে।


খোজ নিয়ে জানা গেছে, ডোমখালি খাল, কাগতিয়া খাল, সর্তাখালের তীব্র স্রোতে এলাকাগুলোর অভ্যন্তরীপ সড়কের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া সড়কের ওপর দিয়ে পানির স্রোত প্রবাহিত হওয়ায় চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের পাহাড়তলী, হাফেজ বজলুর রহমান সড়কের বেশ অংশে বিটুমিন ও কংকূটের আন্তরণ ধসে পড়ায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এখনো অভ্যন্তরীণ অনেক সড়কে হাটুসমান পানি। মাত্রাতিরিক্ত পানি থাকায় অনেক সময় সড়কে যানবাহন বিকল হয়ে পড়ছে। রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় মাছ চাষের পুকুর, দীঘি ডুবে যাওয়ায় অনেক মৎস্য চাষি নিঃস্ব হওয়ার পথে।


পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংছিং মারমা বলেন, পৌর এলাকায় বন্যা দুর্গত বাসিন্দাদের মধ্যে পৌরসভার পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণসহ সার্বিক পরিস্থিতি মনিটরিং করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে পৌর এলাকার বেরুলিয়া, বণিকপাড়া, ডেপুটি বাড়ি, সৈয়দ বাড়ি, জলদাশপাড়া, মোবারকথীলসহ বিভিন্ন জায়গায় পৌরসভার পক্ষ থেকে শুকনো খাবার ও রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।


লোহাগাড়ায় প্লাবিত পাচ ইউনিয়ন লোহাগাড়া উপজেলার পাচটি ইউনিয়ন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত আমিরাবাদ ইউনিয়ন। পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে অনেক এলাকা পানির নিচে চলে গেছে। বহু মানুষ গৃহবন্দি হয়ে পড়েছে। উপজেলা প্রশাসন ১২টি আশ্রয় কেন্দ্র খুললেও অনেকেই এখনো বাড়িঘর ছেড়ে সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করছে।
    এদিকে বাঁশখালীতেও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বন্যা। উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের ২১২টি গ্রামের অধিকাংশই পানির নিচে। প্রায় পাচ লাখ মানুষের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। পাহাড়ি ঢল ও বানের পানি হঠাৎ করেই মানুষের ঘরে ঢুকে পড়ায় প্রস্তুতির কোনো সুযোগ পায়নি স্থানীয়রা। মাটির ঘর একের পর এক ভেঙে পড়েছে। ধান, চাল, আসবাবপত্র, মাছের ঘের, হাস-মুরগি ও গবাদিপশুর খাদ্য পানিতে ভেসে গেছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকায় মোবাইল ফোন চার্জ দেয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেকেই বাইরের


দুর্যোগ মোকাবিলায় সবছুটি বাতিল টানা বর্ষণে চট্টগ্রাম শহর ও আশপাশের উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। এই পরিস্থিতিতে দূর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের অধীন সব কর্মকর্তা-কর্মচারির সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।
তিনি জানান, জেলার প্রতিটি উপজেলায় এবং জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু রেখে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসক বলেন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। উদ্ধার কার্যক্রম আরো জোরদার করতে সাতকানিয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ১০টি স্পিড বোট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে জেলার ৬২৯টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা মানুষের জন্য চিড়া, মুড়ি, গুড় এবং শিশুদের জন্য মাফিন, কেক, বিস্কুট, ওর স্যালাইন ও পাচ লিটার করে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি গর্ভবতী নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।


জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে এরই মধ্যে ২০০ মেট্রক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ তহবিল থেকে আরো ২০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। প্রথম দফার বরাদ্দ এরই মধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় পৌছে দেয়া হয়েছে এবং নতুন বরাদ্দও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের চাহিদার ভিত্তিতে দ্রুত বিতরণ করা হবে

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)