ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদা উপজেলার নতুন বাস্তবপুর গ্রামের ১০ম শ্রেণির ছাত্র সাইম চাচাদের সাথে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। গ্রামবাসী খোঁজাখুঁজি করার পরও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে খবর পেয়ে দর্শনা ফায়ার সার্ভিস টিম এসে তারাও চেষ্টা করে তার জীবিত কিংবা মৃতদেহ উদ্ধার করতে পারেনি। পরে ডুবুরি টিম এসে ৮ ঘণ্টা পর সাইমের মৃতদেহ উদ্ধার করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে। সাইম (১৬) নতুন বাস্তবপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে। গতকাল শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে মরা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ডুবুরি টিমের সহযোগিতায় রাত ৮টার দিকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, দামুড়হুদা উপজেলা নতুন বাস্তবপুর গ্রামের শরিফুল ইসলামের ছেলে ১০ম শ্রেণির ছাত্র সাইম চাচা বাবুল আলি ও জাকিরের সাথে মাছ ধরার জন্য মরা গাংয়ে যায়। মাছ ধরার কিছু সময় পরে পানির স্রোতে পানিতে তলিয়ে যায়। তার চাচারা অনেক চেষ্টা করে তাকে বাঁচাতে পারেনি। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অনেক চেষ্টা করেও তাকে খুঁজে না পেয়ে দর্শনা ফায়ার সার্ভিস টিমকে খবর দিলে তৎক্ষণাৎ দর্শনা ফায়ার সার্ভিস টিম এসে দুই ঘণ্টা চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। পরে খুলনা ডুবুরি ইউনিটের ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স টিম ও দর্শনা ফায়ার সার্ভিস টিমের সহযোগিতায় তিন ঘণ্টা চেষ্টার ফলে রাত পৌনে ৮টার দিকে মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে ডুবুরি দল স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের নিকট লাশ হস্তান্তর করে।
এদিকে খবর পেয়ে দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনুসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ এক নজর দেখতে ছুটে আসেন। খুলনা ডুবুরি ইউনিট ও ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স টিমের লিডার সাইদুল ইসলাম বলেন, দর্শনা ফায়ার সার্ভিস টিম আমাদের নিশ্চিত করার পর আমরা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছাই। পরে তিন ঘণ্টা চেষ্টা করার পর সাইমের লাশ উদ্ধার করতে সক্ষম হই। পরে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করি।
এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মেজবাউদ্দিন নিশ্চিত করে বলেন, সাইম নামের একটি ছেলে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় দামুড়হুদা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
