ছবির ক্যাপশন:
আড়ম্বরপূর্ণ আয়োজনের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের নবীনবরণ, বিদায় সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিএনসিসির সদস্যরা প্রধান অতিথি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. শরীফুজ্জামান শরীফকে গার্ড অব অনার প্রদান করে মঞ্চে নিয়ে যান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. মফিজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের নগ্ন নোংরামির আওতামুক্ত ছিল না দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো একদিকে ছিল নিয়োগ বাণিজ্যের উৎস, অন্যদিকে ছাত্রলীগের মাদকের আখড়া। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে শিক্ষাঙ্গন থেকে সকল অপকর্মের শিকড় উপড়ে ফেলা হবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা উপযোগী পরিবেশ বজায় রাখার দায়িত্ব আপনাদের, আর সার্বিক উন্নয়নের দায়িত্ব আমার। জেলার দ্বিতীয় বৃহত্তম কলেজ হিসেবে আলমডাঙ্গা সরকারি কলেজ উন্নয়নের দিক থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কলেজের উন্নয়নের বিষয়গুলো দেখা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুল ইসলাম পিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ মিল্টন, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আক্তার হোসেন জোয়ার্দ্দার এবং সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক রোকন।
অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোমিন মালিতা। এছাড়া বক্তব্য দেন শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক মুহিতুর রহমান এবং সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মালেক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহিদ হাসান শুভ, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক আতিক হাসনাত রিংকু, সদস্যসচিব মাহমুদুল হক তন্ময়, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা ও সামিউল ইসলাম সামি। স্বাগত বক্তব্য দেন কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি শাওন পারভেজ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুর রাকিব জীবন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাফায়েতুল ইসলাম আকাশ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আলিম হামজা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আলমডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল ইমরান রাসেল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির পক্ষ থেকে নবীন ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ উপহার দেওয়া হয়। পরে বেলা ৩টা থেকে আলমডাঙ্গা কলাকেন্দ্রের শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক সাংস্কৃতিক দায়িত্বে ছিলেন ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মো. ইকবাল হোসেন মিয়া।
