ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা উপজেলার পরানপুর গ্রামে ফসলি জমি গভীর করে মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে নাসু মিয়ার বিরুদ্ধে। এতে পাশের কয়েকটি কৃষিজমি ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। অভিযোগকারী একই গ্রামের হাজী ফজলুল হকের ছেলে মিজানুর রহমান জানান, পরানপুর গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে নাসু মিয়া (৫৫) সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রায় ১৫ কাঠা ফসলি জমির মাটি প্রায় ১২ ফুট গভীর করে কেটে বিক্রি করছেন। তিনি আরও জানান, নলগাড়ীর মাঠ এলাকায় প্রতিদিন রাত ৩টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত ট্রাক্টরের মাধ্যমে মাটি কেটে বিভিন্ন ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে।
মিজানুর রহমানের দাবি, নাসু মিয়ার জমির পশ্চিম পাশে তার ২ বিঘা ৩ কাঠা এবং দক্ষিণ পাশে আরও ১৫ কাঠা জমি রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব জমি ভেঙে পাশের গভীর গর্তে ধসে পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। এছাড়া পূর্ব পাশে মৃত নফর মণ্ডলের ছেলে আজিবার রহমান ও মজিবার রহমানের প্রায় ১ বিঘা ফসলি ও বাগান জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, নাসু মিয়া আইন অমান্য করে খাড়াভাবে জমি কেটে ফেলেছেন এবং প্রতিবাদ করা হলেও তা উপেক্ষা করে মাটি কাটা অব্যাহত রেখেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাসু মিয়া বলেন, তিনি দুই দিনের সময় নিয়েছিলেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জমির পাড় বেঁধে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। তবে অভিযোগ রয়েছে, সময় পার হলেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি এবং এখনও মাটি কাটা চলছে। এদিকে, পরানপুর গ্রামের ভাগাডিগড়ীর মাঠসহ আশপাশের এলাকাতেও ব্যাপকভাবে ফসলি জমির মাটি কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অবৈধভাবে ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
