ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা জেলায় আম সংগ্রহের ক্যালেন্ডার তৈরির লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বেলা সাড়ে তিনটায় জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় এ মতবিনিময় সভা। সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক লুৎফুর নাহার। এসময় তিনি এ বছর জেলার আম সংগ্রহের সময়কাল ঘোষণা করেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, এ বছর চুয়াডাঙ্গার আম সংগ্রহের সময়কাল নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়কাল অনুসারে আঁটি, গুটি আম, বোম্বাই, খিরসাপাত ও গোপালভোগ ১৩ মে থেকে সংগ্রহ শুরু করা হবে। হিমসাগর আম ২০ মে থেকে সংগ্রহ শুরু করব। ল্যাংড়া ২৫ মে থেকে, আম্রপালি ৫ জুন এবং ফজলি ১৫ জুন, হাড়িভাঙ্গা ২০ জুন, আশ্বিনা ও (বারি আম-৪) ৩০ জুন, কাটিমন ৫ জুলাই, গৌড়মতি (বারি আম-১২) ৩১ জুলাই।
তিনি আরও বলেন, এই সময়সূচি অনুসারে অবশ্যই আম সংগ্রহ করতে হবে। এই সময়সূচির আগে বাণিজ্যিকভাবে যদি আম সংগ্রহ করা হয়, তাহলে আইনগতভাবে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। নিরাপদ খাদ্য আইনে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। আম পাকানোর জন্য কোনোপ্রকার রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা যাবে না। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে আম পাকানো ও সংরক্ষণও করতে হবে, অথবা কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষণ করতে হবে। অবৈধ উপায়ে আম সংরক্ষণ করলে ভোক্তা অধিকার থেকে আমরা কঠোরভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান সরকার, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষ্ণ রায়, জেলা কৃষি মার্কেটিং অফিসার শহিদুল ইসলাম, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মামুনুল হাসান, আম ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস মহলদার, চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মানিক আকবর, জেলার বিভিন্ন আম বাগানের মালিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও সাংবাদিকেরা।
