শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ, এলাকাবাসীর ক্ষোভ

দামুড়হুদায় ফাস্ট মাল্টিমিডিয়া স্কুলের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আপলোড তারিখঃ 2026-04-29 ইং
শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ, এলাকাবাসীর ক্ষোভ ছবির ক্যাপশন:

দামুড়হুদা উপজেলা সদরের ফাস্ট মাল্টিমিডিয়া নামের একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিকবার শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে| এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে| গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার|

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পিতা রকিবুল ইসলাম (রিপন) লিখিত অভিযোগে জানান, তার ছেলে রাহাত হুসাইন (১২) দামুড়হুদা থানাধীন গুলশান পাড়ার ফাস্ট মাল্টিমিডিয়া নামক একটি প্রাইভেট স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র| অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুল মুকিত (৩০) ও হুমায়ন (২৮) দীর্ঘদিন ধরে তার ছেলেকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছে|

অভিযোগে বলা হয়, সামান্য কারণ কিংবা বিনা কারণেই শিক্ষার্থীর কান ধরে টানা, চুল টেনে ধরা, শরীরে চিমটি কেটে চামড়া তুলে নেওয়া, এমনকি মাথায় আঘাত করার মতো অমানবিক আচরণ নিয়মিত করা হতো| প্রায় ১৫ দিন আগে এক ঘটনায় অভিযুক্তরা শিশুটিকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে, ফলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং চিকিৎসা নিতে বাধ্য হয়| এ বিষয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর পরিবার| বরং অভিযোগ করার জেরে শিক্ষকদের নির্যাতন আরও বেড়ে যায়|

সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল বেলা ১১টার দিকে ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে চুল ধরে টেনে মাথা নিচু করে পায়ের মাঝে ঢুকিয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়| এতে শিশুটির পিঠ, কোমর ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়| এ ঘটনার পর অভিভাবক স্কুলে গিয়ে প্রতিবাদ জানালে অভিযুক্ত শিক্ষকরা উল্টো তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারমুখী আচরণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে| এমনকি ‘ছেলেকে মেরেছি, যা পারিস করে নে’ বলেও হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান তিনি|

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে| কিন্তু স্থানীয় প্রভাবের কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি| অভিযোগের বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না, আমাকে কেউ কিছু বলেনি| বিষয়টি আমি দেখছি|’ দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) উবায়দুর রহমান সাহেল বলেন, ‘সকালে ওই বাচ্চাটাকে নিয়ে এসেছিলো, আমি দেখেছি| অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে|’


সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)