দামুড়হুদায় অর্থকরী ফসল হিসেবে বাড়ছে ভুট্টার চাষ, চলছে হারভেস্ট

নগদ বিক্রি ও সহজ বিপণনে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে

আপলোড তারিখঃ 2026-04-17 ইং
দামুড়হুদায় অর্থকরী ফসল হিসেবে বাড়ছে ভুট্টার চাষ, চলছে হারভেস্ট ছবির ক্যাপশন:

আওয়াল হোসেন:
দামুড়হুদা উপজেলার কৃষকরা এখন ভুট্টা সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন। লাভজনক হওয়ায় ভুট্টা এ অঞ্চলের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসলে পরিণত হয়েছে। জানা গেছে, প্রায় দুই দশক আগে ২০০৬-০৭ সালের দিকে এ অঞ্চলে ভুট্টা চাষ শুরু হয়। বর্তমানে তা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে এবং জেলার উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভুট্টা এখান থেকেই উৎপাদিত হচ্ছে।


এর আগে দর্শনা কেরু চিনিকলকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চলের প্রধান অর্থকরী ফসল ছিল আখ। তবে আখ চাষে সময় বেশি লাগে এবং নানা জটিলতার কারণে কৃষকরা ধীরে ধীরে ভুট্টার দিকে ঝুঁকছেন। পরাণপুর গ্রামের কৃষক মহিদুল ইসলাম, শাহাজাহান আলী ও আশাদুল ইসলাম জানান, ভুট্টা চাষে মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায়। এছাড়া ফড়িয়ারা সরাসরি বাড়ি থেকে নগদ টাকায় ভুট্টা কিনে নিয়ে যায়। ফলে বাজারজাতকরণে আলাদা ঝামেলা বা অতিরিক্ত খরচ হয় না।


অন্যদিকে, আখ বিক্রি করতে হলে চিনিকলে নিতে পরিবহন খরচ লাগে এবং সময়মতো স্লিপ না পাওয়ার সমস্যাও রয়েছে। এসব কারণে কৃষকরা এখন ভুট্টা চাষকে বেশি লাভজনক মনে করছেন। দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শারমিন সুলতানা জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ হয়েছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও অর্জিত হয় ১২ হাজার ৫০ হেক্টর। এ জমি থেকে গড়ে প্রায় ১১ দশমিক ৪০ মেট্রিক টন উৎপাদন পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, এ উপজেলার কৃষকরা এখন ধান, পাট, সবজি ও ভুট্টা চাষে বেশি ঝুঁকছেন।

সম্পাদকীয় :

প্রধান সম্পাদকঃ নাজমুল হক স্বপন
ফোনঃ +৮৮০২৪৭৭৭৮৭৫৫৬

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ

বার্তা সম্পাদকঃ শরীফুজ্জামান শরীফ


বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয়ঃ

অফিসঃ পুলিশ পার্ক লেন (মসজিদ মার্কেটের ৩য় তলা) কোর্ট রোড, চুয়াডাঙ্গা।

ইমেইলঃ dailysomoyersomikoron@gmail.com

মোবাইলঃ ০১৭১১-৯০৯১৯৭, ০১৭০৫-৪০১৪৬৪(বার্তা-বিভাগ), ০১৭০৫-৪০১৪৬৭(সার্কুলেশন)