ছবির ক্যাপশন:
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যদিয়ে চুয়াডাঙ্গায় দেশের প্রথম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশনের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় এ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। একুশে টেলিভিশনের চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি আতিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, একুশ আমাদের অহংকার। সেই একুশের নামেই টেলিভিশন চ্যানেলের নামকরণ। আবার চ্যানেলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পহেলা বৈশাখে—সব মিলিয়ে এটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। একুশে টেলিভিশন দেশের প্রথম বেসরকারি টেলিভিশন হিসেবে নিজস্ব ধারা ও চিন্তাভাবনা নিয়ে যাত্রা শুরু করে এবং এখনও সেই স্বকীয়তা বজায় রেখেছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একসময় দেশের দর্শকরা কেবল সরকারি টেলিভিশনের ওপর নির্ভরশীল ছিল। কিন্তু একুশে টেলিভিশন চালু হওয়ার পর সংবাদ ও অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় নতুন ধারা সৃষ্টি হয়। দর্শকরা প্রতিদিন আগ্রহ নিয়ে একুশের সংবাদ দেখতেন এবং এখনও সেই জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি নাজমুল হক স্বপন, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মালিক। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আজাদ মালিতা, সরদার আল আমিন ও রাজিব হাসান কচি, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি রফিক রহমান, কার্যনির্বাহী সদস্য রিফাত রহমান, অর্থ সম্পাদক জামান আখতার, দপ্তর সম্পাদক মফিজুর রহমান জোয়ার্দ্দার, সদস্য এম এম আলাউদ্দিন, এম এ মামুন, আলমগীর কবির শিপলু, খাইরুল ইসলাম, আবুল হাশেম, মশিউর রহমান, পলাশ উদ্দিন ও রুবাইত-বিন-আজাদ সুস্থিরসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক ইসলাম রকিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বক্তারা একুশে টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সংবাদ পরিবেশনার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা বলেন, সবার আগে সঠিক সংবাদ প্রচারে একুশে টেলিভিশন অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। অনুষ্ঠান শেষে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।
