ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গায় ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল বিপণন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে এ উদ্যোগের মধ্যেও কমেনি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি। গতকাল রোববার সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে একযোগে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। জেলার বিভিন্ন পাম্প ঘুরে দেখা যায়, তেল নিতে ভোর থেকেই সাধারণ মানুষের দীর্ঘ সারি। কোথাও কোথাও পাম্পের বাইরে কয়েকশ মিটার পর্যন্ত লাইন ছড়িয়ে পড়েছে।
পাম্প কর্তৃপক্ষ জানায়, ফুয়েল কার্ডধারী গ্রাহকেরা সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। ফুয়েল কার্ড এবং পাম্পের রেজিস্ট্রার খাতায় সকল তথ্য আপডেট করা হয়েছে, তবে কার্ড ছাড়া কাউকে তেল সরবরাহ করা হয়নি। এ কারণে অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও খালি হাতে ফিরেছেন।
ভুক্তভোগী কয়েকজন চালক অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও সীমিত পরিমাণ তেল পাওয়ায় তাদের ভোগান্তি বেড়েছে। তারা দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং লাইনের জট কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। চাকরিজীবী মিজান বলেন, ‘সকাল ভোরে এসে লাইন দিয়েছি। এখনো তেল পাইনি। তেল নিবো নাকি অফিস যাবো। এভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নেওয়া আমাদের মত চাকুরিজীবিদের জন্য খুব বড় চ্যালেঞ্জ।’
কৃষক সিয়াম বলেন, ‘যা তেল দিচ্ছে, এই তেলে আমাদের পোষাচ্ছে না। দিনে এভাবে দুইবার নিলেও হবে না। আমাদের পান বরজে পানি দিতে হয়, মাঠে ধান আছে, ভুট্টা, ঝালের চারা সব মিলিয়ে এইটুকু তেল এ কোনোভাবেই সামাল দেওয়া সম্ভব না।’
