ছবির ক্যাপশন:
ফুয়েল কার্ড বিতরণের শেষ দিনেও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় চালকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার কার্ড বিতরণের নির্ধারিত সময়সীমার শেষ দিন সকাল থেকেই কার্ড সংগ্রহে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের। শুধু কার্ড সংগ্রহেই নয়, সদর উপজেলার প্রায় সব তেল পাম্পে মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের ভিড়ও ছিল উল্লেখযোগ্য ছিল। লাইনে আগে থাকার জন্য অনেক চালক রাতেই পাম্পে যানবাহন রেখে বাড়ি ফিরে যান এবং ভোরে এসে লাইনে দাঁড়ান। তবুও দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর অনেকে জ্বালানি না পেয়েই ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীরা। দৈনন্দিন কাজ ফেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা তাদের জন্য হয়ে উঠেছে কষ্টসাধ্য।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গায় তাপমাত্রা ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা চলমান পরিস্থিতিকে আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। তীব্র গরমের মধ্যে কার্ড সংগ্রহ ও জ্বালানি নিতে লাইনে দাঁড়ানোয় স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পহেলা এপ্রিল থেকে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহের কথা থাকলেও বিতরণ কার্যক্রমের সময় বাড়ানোয় এতদিন স্বাভাবিক নিয়মেই তেল দেওয়া হচ্ছিল। তবে বৃহস্পতিবার সময়সীমা শেষ হওয়ায় শুক্রবার থেকে ফুয়েল কার্ড প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) বি.এম. তারিক-উজ-জামান জানান, আগামীকাল (আজ) থেকে ফুয়েল কার্ড দেখিয়েই জ্বালানি দেওয়া হবে। কার্ড ছাড়া কোনোভাবেই তেল নেওয়ার সুযোগ নেই।
