ছবির ক্যাপশন:
চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার টাউন লেভেল কো-অর্ডিনেশন কমিটির (টিএলসিসি) ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা তিনটায় চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার আয়োজনে পৌরসভার মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার। সভায় পৌরসভার পূর্ববর্তী টিএলসিসি সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন ও সংশোধন, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, পৌর এলাকার বিভিন্ন সমস্যা এবং সম্ভাব্য সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় টিএলসিসি সদস্যরা বলেন, চুয়াডাঙ্গা রেলগেট এখন জেলার মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ট্রেন স্টেশনে ঢোকার ২০ মিনিট আগে থেকে গেট পড়ে, এতে সময় যেমন নষ্ট হচ্ছে ভোগান্তিও বাড়ছে। আন্ডারপাসে পানি জমে থাকে ফলে চলাচল মুশকিল। সদস্যরা আরও জানান, পৌরসভার অনেক ড্রেনে স্লাব নেই, স্লাব থাকলেও সেগুলো ভাঙা। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়।
সভায় সদস্যরা বড় বাজারের যানজট কমাতে ফুলের দোকানগুলো রেলস্টেশন এলাকায় স্থানান্তরের প্রস্তাব দেন। এছাড়াও রাস্তায় ময়লা কমাতে ভ্রাম্যমাণ ডাস্টবিনের প্রস্তাবও রাখা হয়। সভায় হাসাপাতালে যে অবৈধ ক্লিনিকগুলো আছে, সেগুলোতে অভিযান পরিচালনা এবং ক্লিনিকের বাইরে পার্কিং রাখার ব্যবস্থার ওপরেও জোর দেওয়া হয়।
এসময় স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শারমিন আক্তার বলেন, ‘অন্যায় দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। মনে করেন আমি কোনো একটা কাজ করেছি, আমি তো আমার ভুল দেখতে পাবো না। কিন্তু আর পাঁচজন তো সেটা বুঝবে। তখন তারা আমাকে সেটা জানাক। আমি অবশ্যই সেটা বিবেচনা নেবো। আমি নিজেও যদি কখনো অন্যায় করি তবে আমি নিজেও যেন ছাড় না পায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো শহরটাকে নাগরিক মুখী করা। মানুষের জন্য শহরটাকে মুক্ত করা। আমরা যদি সবাই একজোট হোই তবে সকালের সহযোগিতায় আমরা এগিয়ে যাবো পৌরসভার উন্নয়নে।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, পৌর বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক পল্টু, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাসুদুর রহমান, জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, জেলা শিক্ষা অফিসার জেসমিন আরা খাতুন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার অহীন্দ্র কুমার মণ্ডল, জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাড. মানিক আকবর, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শরিফুল ইসলামসহ টিএলসিসি সদস্য ও পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা ও সাংবাদিকবৃন্দ।
