ছবির ক্যাপশন:
চাকরি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া এলাকার এক পরিবারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবক মো. নয়ন হোসেন মহেশপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জীবননগর উপজেলার পুরাতন চাকলা গ্রামের বাসিন্দা মো. মহিউদ্দীনের ছেলে।
অভিযুক্তরা হলেন ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার পান্তাপাড়া ইউনিয়নের পান্তাপাড়া হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মো. সেলিম মিয়াজী (২৮), তার মা মোছা. শিল্পী বেগম (৪৭) ও পিতা মো. রহিম মিয়াজী (৫০)।
লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, সেলিম মিয়াজী নিজেকে “সিভিল সেনা সদস্য” পরিচয় দিয়ে প্রায় এক বছর আগে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখান। তিন মাসের মধ্যে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে নগদ ৩ লাখ টাকা গ্রহণ করেন। পাশাপাশি চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও চাকরি না দিয়ে অভিযুক্তরা নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে টাকা ফেরত চাইলে তারা টালবাহানা শুরু করেন। সর্বশেষ গত ৪ এপ্রিল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভুক্তভোগী টাকা ফেরত চাইতে গেলে তারা মারমুখী আচরণ করেন এবং টাকা না দেওয়ার কথা জানান। এছাড়া সেনাবাহিনী দিয়ে হেনস্তার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগী নয়ন হোসেন অভিযোগ করে বলেন, তারা আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে প্রতারণা করেছে এবং এখন আমার পাওনা টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করে। আমি বিষয়টি মহেশপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে ওসি সাহেব আমাদের দুই পক্ষকে ডাকে এবং সেলিম মিয়াজীর কাছে টাকা দেওয়ার আমার সমস্ত প্রমাণ দিলে সেলিম মিয়াজী আমার সমস্ত টাকা ফেরত দিবে মর্মে একটি লিখিত দেন এবং সময় নেন।
এ বিষয় সেলিম মিয়াজী বলেন, বিষয়টি থানায় মীমাংসা হয়ে গেছে। এটা নিয়ে আমি আর কিছু বলতে চাচ্ছি না।
এ বিষয়ে মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, একটি লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকে থানায় হাজির করা হয়। সেলিম মিয়াজী যে টাকা নিয়েছে সেই টাকা ফেরত দিবে এই মর্মে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
