ছবির ক্যাপশন:
আলমডাঙ্গা উপজেলার খোরদ গ্রামে ইউডিএফ (টৎনধহ উবাবষড়ঢ়সবহঃ ঋঁহফ) প্রকল্পের আওতায় চলমান গ্রামীণ সড়ক সলিং কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বুধবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিম্নমানের ইট অপসারণের নির্দেশ দেয়।
জানা গেছে, ভাংবাড়িয়া ইউনিয়নের খোরদ গ্রামে প্রায় সাড়ে ৮০০ মিটার সড়ক সলিংয়ের কাজ সম্প্রতি শুরু হয়েছে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮ লাখ টাকা। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের তদারকি করছে উপজেলা প্রকৌশল দপ্তর (এলজিইডি)। কাজটির দায়িত্বে রয়েছেন ঠিকাদার জাহিদুল ইসলাম।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজের শুরুতেই ২ ও ৩ নম্বর মানের ইট ব্যবহার করা হয়। অনেক ইট হাত দিয়ে চাপ দিলেই ভেঙে যাচ্ছে, আবার কিছু ইট ঝুরঝুরে হয়ে খসে পড়ছে। এতে সড়কের স্থায়িত্ব নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কয়েকজন বাসিন্দা জানান, তারা কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুললে প্রথমে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এমনকি কাজ বন্ধের কথা বললে কিছু শ্রমিকের পক্ষ থেকে বিরূপ আচরণ ও হুমকির সম্মুখীন হতে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
গতকাল বুধবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের একটি অংশে বসানো ইটের মান দৃশ্যতই নিম্নমানের। কোথাও কোথাও ইট বসানোর আগেই ভেঙে গেছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এভাবে কাজ শেষ হলে বর্ষা মৌসুমেই সড়কটি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। এ বিষয়ে ঠিকাদার জাহিদুল ইসলাম বলেন, কিছু নিম্নমানের ইট অজান্তে চলে এসেছিল। বিষয়টি জানার পর সেগুলো অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। মানসম্মত ইট দিয়ে পুনরায় কাজ করা হবে।
ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহানুর রহমান সোহান জানান, শুরুতে ইটের মান ভালো মনে হলেও পরে অভিযোগ পান। ঠিকাদারকে ইট অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কাজের অবস্থা খতিয়ে দেখা হবে। আলমডাঙ্গা উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সড়ক নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। অভিযোগের পর পরিদর্শন করা হয়েছে এবং নিম্নমানের ইট অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাজের মান নিশ্চিত না হলে বিল পরিশোধ করা হবে না।
