ছবির ক্যাপশন:
মেহেরপুর চাঁদপুরে শ্রমিক ইউনিয়নের চাঁদা না পেয়ে চলন্ত পিকআপ চালককে আঘাত
বারাদী প্রতিনিধি: শ্রমিক ইউনিয়নের নামে মহাসড়কে চলমান গাড়ির গতিরোধ করে শ্রমিক কল্যানের চাঁদা আদায়ের চিত্রটি বর্তমানে নিত্যদিনের রুটিনে পরিনত হয়েছে। রাস্তায় চলমান গাড়ী থেকে সংগৃহীত চাঁদার টাকা আসলেই শ্রমিকের কল্যানে ব্যবহৃত হয় নাকি গুটি কয়েক লোকের উদরপূূর্তি হয় সে বিষয়টি রহস্যের আড়ালেই থেকে যায়। যেন দেখার কেউই নেই, নেই কোন বিধি ব্যবস্থা। যার কারণেই প্রতিনিয়তই ঘটছে বড় ধরণের দুর্ঘটনা হচ্ছে প্রানহানী। আর তারই খেসারত দিতে দিতে নিঃস্ব হতে হয় গাড়ির মালিককে, ধ্বংস হয় তার পরিবার। আজকাল জেলার অধিকাংশ জায়গাতেই চলছে এই শ্রমিক ইউনিয়নের চাঁদাবাজি। একটি গাড়িকে জেলা পার হতে বেশ কয়েকটি জায়গাতেই এই চাঁদার টাকা পরিশোধ করেই পার হতে হয়, যেটা নিত্যদিনের উৎসবে পরিণত হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকাল আনুমানিক ৪টার দিকে মেহেরপুর সদরের চাদপুরে ঘটে যায় এমনই এক দুর্ঘটনা। মেহেরপুর থেকে ছেড়ে আসা কাঁচামাল ভর্তি একটি পিকআপ (নং ঢাকা মেট্রো ন- ১৫-৩০৮৫) চাঁদপুর পৌছালে শ্রমিক ইউনিয়নের তিন সদস্য নাইম রানা ও তারিক গাড়ীর গতিরোধ করার জন্য সংকেত দেয়। গাড়ীর চালক বিষয়টি বুঝতে না পেরে আপন গতিতেই গাড়ী চালিয়ে যাচ্ছিল। শ্রমিক সদস্যরা বিষয়টি অপমানিত মনে করে বাটাম হাতে পিছু নিয়ে চালকের হাতে সজোরে আঘাত করলে তিনি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার পার্শবর্তী একটি পাখিভ্যানে ধাক্কা মারে। এতে ভ্যানের আরোহী ও চালক ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয় এবং পিকআপ গাড়ীটি উল্টিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা পিকআপের চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করে মেহেরপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা চারজনকেই এ্যাম্বুলেন্সযোগে দ্রুত মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে বারাদী পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই বাবলু মিয়া ও এএসআই শাহেদ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
