ছবির ক্যাপশন:
দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় একের পর এক মোটরসাইকেল ছিনতাই ও দোকান ভাঙচুরের ঘটনায় জনমনে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে দামুড়হুদার ঠাকুরপুর সড়কের ধাপাড় মাঠ এলাকায় ভয়াবহ এক ছিনতায়ের ঘটনা ঘটে। কার্পাসডাঙ্গা বাজারের বিদ্যুৎ ডেকোরেটরের কর্মচারী রাজু (সিরাজুল ইসলাম সর্দ্দারের ছেলে) কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা থেকে কাজ শেষে নিজ গ্রাম ঠাকুরপুরে মোটরসাইকেলযোগে ফিরছিলেন। পথে ৭-৮ জন সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী পল্লী বিদ্যুতের কাজের নামে রাখা বৈদ্যুতিক খুঁটি রাস্তায় ফেলে তার মোটরসাইকেলের গতি রোধ করে। এরপর রাজুকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে তার কাছে থাকা নগদ টাকা ও মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়।
এছাড়া শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের আজিজুল হক নিজ কাজে বের হলে কার্পাসডাঙ্গা-কুতুবপুর সড়কের বড় পুল এলাকায় -ু৭ জন ছিনতাইকারী দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেয়।
অন্যদিকে, একই দিন দুর্গাপুরুসদাবরি সড়কে শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে বুইচিতলা গ্রামের আ. আলীম কাজী বাড়ি ফেরার পথে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে, একই রাতে কার্পাসডাঙ্গা কবরস্থান মোড়ে দোকান ভেঙে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনাও ঘটেছে। দোকান মালিক মহিদুল ইসলাম জানান, তার ‘বিকাশ অ্যান্ড কসমেটিক্স’ দোকানের টিন কেটে ভেতরে ঢুকে ড্রয়ারে রাখা প্রায় ২০ হাজার টাকা ও মিনিট কার্ড চুরি করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। তবে দোকানের অন্যান্য কসমেটিকস মালামালে ক্ষতি করা হয়নি।
একই রাতে একাধিক স্থানে ছিনতাই ও চুরির ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ভয় ও উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে কার্পাসডাঙ্গা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই আকরাম হোসেন বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজন ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
